
কাশেম আহমেদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি: মাগুরায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে তাদের নামে বিভিন্ন সড়ক, সেতু নামকরণ, সাধারণ শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ভাড়া ও বন্যা কবলিত মানুষের পাশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভূমিকার বিষয়ে এ সাংবাদিক সম্মেলন টি করা হয়।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৪ টায় মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাসে এ সাংবাদিক সম্মেলনটির আয়োজন করা হয়। এ সময় মাগুরা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় অন্যতম সমন্বয়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক ভাইয়েরা আসসালামু আলাইকুম আপনারা সকলে অবগত আছেন যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে পুনরায় ২০২৪ সালে স্বাধীন হয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় সারা বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্র সংস্কারের যে কাজ চলছে তার মাধ্যমে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাগুরাতে যারা আছি মাগুরা শহরের মধ্যে সারাদেশের নেয় যেন ভাড়া স্টুডেন্টদের জন্য কম নেওয়া হয় তার জন্য আমরা মালিক সমিতির বরাবর আবেদন করেছি, মাগুরা জেলা মালিক সমিতি আমাদের আবেদন কে গ্রহণ করে ভাড়া ৩০% সারা মাগুরাতে মওকুফ করেছে ছাত্রদের জন্য। ছাত্রদের জন্য কোথা থেকে কোথায় ভাড়া মওকুফের মধ্যে থাকবে আমি এটা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি মাগুরা হতে সিমাখালি সড়ক, মাগুরা হতে হাটগোপালপুর সড়, মাগুরা হতে ওবদা সড়ক, মাগুরা হতে কালিগঞ্জ লাহুরিয়া সড়ক, মাগুরা হতে বোনাগাতি সড়ক, বোনাগাতি হতে মোহাম্মদপুর সড়ক, মাগুরা হতে বইখালী সড়ক, এই সমস্ত স্থানে ছাত্ররা পরিচয় পত্র দেখাইলে এই সুবিধা পাবে, শুক্রবার বাদে। আমরা দ্বিতীয় যে আবেদনটি ডিসি অফিসে করেছি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মাগুরাতে যারা শহীদ হয়েছে তাদের স্থায়ী নামকরণ, এর মধ্যে উল্লেখ্য বিষয় হচ্ছে মাগুরা পানান্দুয়ালী ২ ব্রিজ সংলগ্নে স্থানে মেহেদী হাসান রাব্বি ভাইকে গুলি করে নিহত করা হয়, সেই মেহেদী হাসান রাব্বি ভাইয়ের স্মরণে ভায়নার মোড় হতে টার্মিনাল যে সড়কটি শহীদ রাব্বি সড়ক হিসেবে প্রস্তাব করেছি এখানে এডিসি স্যার আবেদনটি গ্রহণ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে, এজন্য আজকের পর থেকে আসাদুজ্জামান সড়কের পরিবর্তে শহীদ রাব্বি সড়ক ও পারনান্দুয়ালী ব্রিজটিকে শহীদ রাব্বি সেতু হিসেবে বলতে আর কোন বাধা থাকলো না এছাড়াও আমাদের আরেকটি ভাই ফরহাদ যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ছিল পারনান্দুয়ালীতে এই আন্দোলনের সময় শহীদ হয় তার নামে ওবদামোর হতে নারকেল বাজারের যে সড়কটি আছে, সেই সড়কটিকে আজকের পর থেকে শহীদ ফরহাদ সড়ক হিসাবে পরিচিতি হবে। এবং মাগুরার ছেলে রাজু যে ঢাকাতে সর্বপ্রথম এই আন্দোলনে শহীদ হয় তার জন্য মাগুরা জগদাল বাজার মসজিদ হতে আজমপুর অর্থাৎ তার বাড়ির দিকে ঢুকেছে এই রাস্তাটিকে শহীদ রাজু সড়ক হিসেবে এলজিডি থেকে অনুমোদন নিয়েছি এজন্য আজকের পর থেকে শহীদ রাজু সড়ক হিসেবে পরিচিতি হবে। আমরা যে জায়গায় বলেছি ইতিমধ্যেই সেই সমস্ত জায়গায় তাদের নামে সংস্কার করে দিয়েছি। আমরা আশা করি খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদন আশা পর পুনরায় আবার সংস্করণ করা হবে। এবং মাগুরাতে আরো যে ৭ জন শহীদ হয়েছে তাদের নিয়ে আমরা কাজ করছি তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন সড়ক ও রাস্তা তাদের নামকরণ করব। আমাদের সর্বশেষ যে বিষয়টি বাংলাদেশের প্রায়ই অর্ধ কোটি মানুষ বর্ণা কবলিত অবস্থায় মানবতার জীবন যাপন করছে তাদের পুনর্বাসনের জন্য মাগুরার সাধারণ শিক্ষার্থীরা সারা দেশের নেয় বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে কাজ করে প্রায় ১০ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের মাগুরাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কালেকশন হয়েছে নগদ ২৯৭৮১৩ টাকা এছাড়াও আমাদের কাছে কাপড়, চাউল, মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল থেকে ৮০০০ পিস প্যারাসিটামল সহ বিভিন্ন ধরনের ঔষধ সামগ্রী আমাদেরকে দিয়েছে সড়ক ও জনপদ থেকে মাগুরাতে আমাদেরকে গাড়ি দিয়েছে এছাড়াও সকল সরকারি দপ্তর থেকে আমাদেরকে সহযোগিতা করেছে আমাদের এই মূল ক্যাশ থেকে আমরা খরচ করেছি ১৭৭৯৮২ টাকা এই টাকা দিয়ে আমরা চাউল থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য আদি কিনেছি তাদের দেওয়ার জন্য আমাদের কাছে অবশিষ্ট টাকা আছে ১১৯৮৪৯ টাকা। এই টাকা বন্যার পানি শুকিয়ে গেলে তাদের পুনর্বাসনের জন্য নগদ অর্থায়ন করা হবে।




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন