বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি ।
হবিগঞ্জের বাহুবলে কৃষি জমির মাটি খনন করে বালু উত্তোলনের ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকে পূঁজি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলে তৎপর হয়ে উঠেছে ফ্যাসিষ্টের দোসররা। নিজেদের মালিকানা জমিতে মাছের খামার করার লক্ষ্যে খনন কাজ বাধাগ্রস্থ করতে কৌশলে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রশাসনকে! মাছের খামারের সাথে মাওলানা নুরুল হকের সম্পৃক্ততা না থাকলেও বরাবরের মতোই টার্গেট মিশনের শিকার হচ্ছেন ওই দোসরদের। এমনটাই দাবি করছেন এলাকাবাসী।সরজমিনে জানা যায়, বাহুবল উপজেলার বড়গাও গ্রামের ১২ জন ব্যক্তির নামে রয়েছে ১৭৩ শতক ভূমি। বাগান বস্তি সংলগ্ন উচু-নিচু জায়গাটি সমতল করে গড়ে তোলেন কৃষি জমি হিসেবে। কিন্তু বেলে জাতীয় মাটি কৃষি উপযোগী না হওয়ায় উক্ত জায়গার মালিকগণ সিদ্ধান্ত নেন মৎস্য খামার করার। তারই আলোকে সম্প্রতি এ জায়গার মালিকগণ মাটি খননের উদ্যোগ নেন। এতে বাধ সাধেন একই গ্রামের জসিম উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি। তিনি সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আলাউর রাহমান সাহেদের আপন ভাই। তিনি জেলা প্রশাসক বরাবর রাস্তাঘাটের ক্ষতি হচ্ছে মর্মে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২ সেপ্টেম্বর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাহবুবুল ইসলাম বড়গাও এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় অনমুতি না নিয়ে কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি কর্তন ও খনন করে বালু উত্তোলনের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং ৫’শ ঘনফুট কাদা মিশ্রিত বালু স্পট নিলামের মাধ্যমে ভ্যাট ও আয়করসহ ১৩হাজার ২শ ৫০ টাকা বিক্রি করা হয়।কিন্তু এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ জায়গার প্রকৃত মালিকদের পাশ কাটিয়ে ফ্রন্ট লাইনে নাম এসে যায় মাওলানা নুরুল হকের।অথচ এ জায়গার মালিক হলেন আব্দুল হামিদ, আব্দুল আজিজ নাসির, তাজুল ইসলাম, আশিকুল ইসলাম, আব্দুল আজিজ, ছিদ্দিক আলী, কবির মিয়া, সাহেদ মিয়া, আজিজুল হক, শামছু মিয়া, রনজিৎ কৈরী ও হেলাল মিয়া। তবে উক্ত দাগের উত্তরাংশে রাস্তার পাশে রয়েছে মাওলানা নুরুল হকের বাড়ির রাস্তা ও তার ব্যক্তি মালিকানাধীন মৎস্য খামার।কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মাওলানা নুরুল হকের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখিত জায়গার মালিকগণ বলছেন, মৎস্য খামার খননের সাথে মাওলানা নুরুল হক জড়িত নন। গত ২ সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে পুলিশ দেখে জায়গার মালিকরা ভয়ে ঘটনাস্থলে না যাওয়ায় স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার কাজল মিয়ার অনুরোধে মাওলানা নুরুল হক ভ্রাম্যমান আদালতকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করেন। স্থানীয়দের দাবি, ফ্যাসিষ্টের দোসররা এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।
#




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন