
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল থানি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন ২০ দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা গাজায় রক্তপাত ও ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুতি বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আনতে পারে। তিনি সব পক্ষকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী জানান, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সমর্থিত এ পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই হামাসের আলোচনাকারী দলের কাছে পৌঁছে গেছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এর বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ ও স্পষ্টীকরণের প্রয়োজন রয়েছে।তিনি বলেন, “যুদ্ধ বন্ধ, জনগণের বাস্তুচ্যুতি ঠেকানো এবং ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার—এগুলোই মূল বিষয়। গাজা সরাসরি পরিচালনা করবে ফিলিস্তিনি জনগণ নিজেরাই।”পরিকল্পনার মূল দিকসমূহ তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি গাজায় পূর্ণ মানবিক সহায়তা প্রবেশের সুযোগ ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব ফিলিস্তিনিদের হাতে তুলে দেওয় সম্প্রতি দোহায় ইসরায়েলি হামলায় এক কাতারি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার মুখে পড়ে ইসরায়েল। পরে যুক্তরাষ্ট্রে এক বৈঠকের সময় ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু যৌথভাবে কাতারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মিসর, তুরস্ক ও ইন্দোনেশিয়াসহ একাধিক আরব ও মুসলিম দেশের সমর্থন পেয়েছে। এদিকে তুরস্ক দোহায় অনুষ্ঠিত মধ্যস্থতা বৈঠকেও যোগ দিয়েছে।কাতারের প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “গাজার মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। যুদ্ধের অবসান ঘটলে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলবে।”






















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন