
রংপুর প্রতিনিধি:
"চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ" এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ রংপুর জেলা শাখা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে গণভোটে জনমত গঠনে মাঠে নেমেছে। রংপুর জেলাজুড়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচারণা, গণসংযোগ, পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ এবং সচেতনতা মূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে এগোবে, তা নির্ধারণে এই গণভোটে জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে, সেই বার্তা দিচ্ছে যুব অধিকার পরিষদ। সংগঠনটির তরুণ নেতারা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং দেশের ভবিষ্যত কোন পথে এগোবে, তা নির্ধারণে জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রংপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের তরুণ কর্মীরা কাদের আনসারি শিমুলের নেতৃত্বে শহরের বাজার, মোড়, পাড়া-মহল্লা এবং জনবহুল স্থানে জনগণের কাছে গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরছেন। তারা মনে করছেন গণভোটের মাধ্যমে দেশের শাসনব্যবস্থায় জনগণের সরাসরি অংশীদারিত্ব নিশ্চিত হবে। তরুণ সমাজের মতামতের ভিত্তিতেই আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। বিগত দিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে উঠতে এই গণভোট একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।রংপুরের বিভিন্ন বাজার ও মোড়গুলোতে সাধারণ মানুষের মধ্যে গণভোট নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাথমাথা এলাকার বাসিন্দা রিপন মিয়া বলেন, সরাসরি রাষ্ট্রের কোনো সিদ্ধান্তে ভোট দেওয়ার সুযোগ আগে খুব একটা মেলেনি। এবার আমরা অংশগ্রহণ করে দেশের ভবিষ্যত প্রভাবিত করতে চাই।এ বিষয়ে যুব অধিকার পরিষদের রংপুর জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাদের আনসারী শিমুল বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়তে এই গণভোট আমাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। আমরা সাধারণ মানুষকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়ন ও সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করছি। গণভোটের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি দেশের ভবিষ্যত ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ রংপুর জেলা শাখা বিশ্বাস করে, জনগণের অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আরও দৃঢ় হবে।রংপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বলেন, আমাদের জন্য এই গণভোট কেবল ভোটের বিষয় নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করার সুযোগ। রংপুরের তরুণ সমাজ যদি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে, তাহলে আমাদের দেশের উন্নয়ন, সংস্কার ও নীতি নির্ধারণে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকবে। আমরা চাই সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটে অংশ নিয়ে দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণে এগিয়ে আসুক।