রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি /
নেত্রকোনা পৌর বিএনপির পদ বঞ্চিত বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির আহবায়ক ডা. মো. আনোয়ারুল হক এবং সদস্য সচিব ড. মো. রফিকুল ইসলাম হিলালীর কুশপুত্তলিকা
দাহ করেছে।
আজ (১৭ জুলাই) সোমবার সকাল ১১ টার দিকে জেলা শহরের আনন্দবাজার মোড়ে পৌর বিএনপির বিক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা তাদের কুশপুত্তলিকা দাহ করে।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন নেত্রকোনা পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল ওয়াহাব ভুইয়া মৃত্যুবরন করেন। তার মৃত্যুর ৭২ ঘন্টার মধ্যেই মেয়াদ উত্তীর্ণ জেলা বিএনপির
আহবায়ক ডা. মো: আনোয়ারুল হক তার সহোদর ভাই সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কামরুল হককে সভাপতি নির্বাচিত করে নেত্রকোনা পৌর কমিটি অনুমোদন
করেছেন। এতে করে পৌর বিএনপির ২০ বছরের অধিক সময় ধরে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা পদ বঞ্চিত হন। পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণ করেন।
পৌর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আমিন মিয়া বলেন, নেত্রকোনা জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি ৩ মাসের জন্য গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত ৪ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, ব্যর্থ এই কমিটি কেন্দ্র ঘোষিত কোন কর্মসূচী জেলা শহরে পালন করতে পাড়ছে না। দীর্ঘ ৪ বছরে জেলার ১৫টি ইউনিটের মধ্যে মাত্র ২টি
ইউনিটের সম্মেলন করেছে।
পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মাশুদুল আজিজ টিটু বলেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক ডা. মো. আনোয়ারুল হকের ছোটভাই কামরুল হকের বিরুদ্ধে কমিটি বানিজ্যের অসংখ্য
অভিযোগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান জেলা বিএনপির আহবায়ক ডা. মো. আনোয়ারুল হক নিজের বাসায় গেইট লাক করে ফটোশেসন করে ফেইজবুকে পোস্ট করার রাজনীতি করছেন।
অনতিবিলম্বে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে সম্মেলনের মাধ্যমে দলকে পূর্নগঠন করা জরুরী।
জেলা বিএনপির আহবায়ক ডা. মো. আনোয়ারুল হক বলেন, এখন যে সকল নেতাকর্মী আমাদের বিরোধিতা করছেন তারা ২০১৮ সালের নির্বাচনে পরোক্ষভাবে আওয়ামীলীগের
পক্ষে কাজ করেছে। দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ডে বিভাজন সৃষ্টির লক্ষে তারা এসব করছে। জেলা বিএনপি সকল সহযোগী সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।