গোলাম সারোয়ার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্যুরো প্রধান /
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অনুমোদন না থাকার পরও ফার্মেসিগুলোতে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে ব্যথানাথক ও অ্যানেস্থেসিয়ার (অজ্ঞান করার) ওষুধ। এসব ওষুধ বিক্রি করতে সারা জেলায় মাত্র চারটি ফার্মেসির মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমোদন রয়েছে। অথচ জেলা ঔষধ তত্ত্বাবধায়কের তথ্য অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিবন্ধিত ফার্মেসির সংখ্যা দুই হাজার ৮০০টি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯টি উপজেলায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য হাসপাতাল। এসব হাসপাতালে অস্ত্রোপচারে ব্যবহার করা হয় ব্যথানাশক ও অ্যানেস্থেসিয়ার ইনজেকশন। অথচ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অনুমোদন না নিয়েই হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা অসংখ্য ফার্মেসি অবাধে বিক্রি করছে নির্দিষ্ট ব্যথানাশক ওষুধ (পেথিডিন, মরফিন, ও-মরফেন ইত্যাদি) ও অ্যানেস্থেসিয়ার ইনজেকশন।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অস্ত্রোপচারে ব্যবহার করা হয় এমন ব্যথানাশক ওষুধ এবং অ্যানেস্থেসিয়ার ইনজেকশন বিক্রি করতে হলে অনুমোদন নিতে হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাজুড়ে দুই হাজার ৮০০টি ফার্ম