
মনোয়ার বাবু,ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি /
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে বাঙালির শোকের দিনে নানা বয়সী ও শ্রেণি–পেশার মানুষের শোক র্যালিতে ঢল নামে। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) বিকালে উপজেলার সকল ইউনিয়ন থেকে মানুষ রানীগঞ্জ সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে জড়ো হন। পরে প্রধান সড়ক ধরে র্যালিটি আবার সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এসে শেষ হয়।
স্মরণকালের বৃহৎ এই শোক র্যালিতে নেতৃত্ব দেন ঘোড়াঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুর রাফে খন্দকার সাহানশা।
এর আগে শোক মঞ্চে সামাবেশে তিনি বলেন, বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, আমাদের অন্তহীন প্রেরণার উৎস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সার্বিক মুক্তির বাণী ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিতে হবে। জাতির অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে যারা বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে জড়িত এবং তাদের অনুসারীদের প্রতি ঘৃণা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির স্থপতি বঙ্গবন্ধু বাংলার মাটি ও মানুষের পরম আপনজন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠায় সকলকে এক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাঃসম্পাদক ১নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সদের আলী খন্দকারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী মাকসুদুর রহমান লাবু চৌধুরী, আবুল বাসার, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহফুজার রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাহবুব কায়সার ইমন, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ফারুক খন্দকার, মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, ৩নং সিংড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ-সম্পাদক আব্দুল মান্নান মন্ডল, ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান প্রধান, ২নং পালশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, পৌর যুবলীগের আহবায়ক ওয়াকার আহমেদ নান্নু সহ প্রমুখ।
পরে মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের সাঃসম্পাদক রুবেল সওদাগরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার বয়স ৩২ বছর। আমি দীর্ঘ দিন থেকে রাজনীতির সাথে জড়িত। ঘোড়াঘাট উপজেলাতে শোক দিবসের র্যালিতে এরকম হাজার হাজার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ কখন দেখিনি।
পলাশ রেজা,মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চের সাংগঠনিক সম্পাদক জানান, স্বতঃস্ফূর্ত জনতার ঢল নেমে ছিল আজ। শোকাবহ এই দিনে মানুষের উপস্থিতি বলে দেয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে মানুষ কতটা ভালোবাসে।
পরে এখানে ১৫ আগস্টের শহীদদের রুহের মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও খাবার বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন