
খোরশেদ আলম, সাভার উপজেলা প্রতিনিধিঃ
সামনে জাতীয় নির্বাচন, আর এই নির্বাচনকে ঘিরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃশ্যমান উন্নয়নের কথা বলে যাচ্ছেন, আওয়ামী লীগের বর্তমান সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা,
আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে অর্থের মহে নিমজ্জিত না হয়ে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন দলের জন্য। আত্মপ্রচার না করে আওয়ামী সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরছেন সর্বস্তরের জনগণের কাছে।
তাদেরই একজন সাভার উপজেলার পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবং আশুলিয়া থানা আওয়ামীলীগের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক ধামসোনা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, আশুলিয়া থানা যুবলীগের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ শাহাদাৎ হোসেন খাঁন।
তার রাজনীতির হাতেখড়ি ছাত্রলীগ দিয়ে। রাজপথ কাঁপানো এই ছাত্র নেতা দলের দুর্দিনে দলীয় কর্মকান্ডে নিজেকে সপে দিয়েছিলেন মুজিব আদর্শ সৈনিক হিসেবে।তৎকালীন সময় বিরোধী দলের রাজনীতি করার কারনে চার দলীয় সরকারের নানা দমন-পীড়নের শিকারও হয়েছেন তিনি।
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার মত শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকায় অগণিত মানুষের মাঝে বিচরনকারী এই মানুষটি শ্রমজীবীসহ সব শ্রণীর মানুষের পাশে থেকেছেন সবসময়। ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মানুষের বিপদে আপদে। বিষেশ করে করোনা কালীন সময়ে অসহায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সব সময়। অসহায় শ্রমিকদের সঠিক অধিকার আদায়ে অনড় ছিলেন। ফলে খেটে খাওয়া মানুষের আস্থা ভাজন হয়ে যান খুব অল্প সময়ে।
এরই ফলশ্রুতিতে সাধারণ জনগনের কাছে দিন দিন তার জনপ্রিয়তা বাড়তেই শুরু করেছ ।
পারিবারিক ভাবেই অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী তারা।দলের নাম ভাঙিয়ে টাকা উপর্যণ করেননি কখনো। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয় কিছু মানুষ । তবে নীতির প্রতি অবিচল থাকেন তিনি, দলের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে কাজ করছেন সব সময় । পাশাপাশি আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরছেন সাধারণ মানুষের কাছে।
তিনি দলের আদর্শে অনড় থেকে কোন বিপদেই রাজনীতির হাল ছাড়েননি । বরং নতুন উৎসাহ নিয়ে সংগঠনের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন পুরোদমে। রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক কাজেও অংশগ্রহণ করেন নিজ উদ্যোগে।
তিনি বলেন, কিছু নেতা নিজের ঢোল নিজে পিটায়। সরকারের উন্নয়ের কথা বলতে খুবই কৃপণতা তাদের। তবে জীবনের শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ও তার যোগ্য উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনার কথা বলে যাব ইনশাল্লাহ।





















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন