
ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলায় ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় দুটি কাবিখা প্রকল্পের কাজ না করেই ২০ মে.টন চাল উত্তোলন করে পিআইওর সহযোগিতায় আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রবাসে থাকে এমন লোকজনের নামে বিল ছাড় দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মধ্যনগর উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নে দূগনই প্রাইমারি স্কুল হতে চান মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ না করেই প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ১০ মে.টন চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।
এ ছাড়া বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নে মাটিয়ার বন ইট সোলিং হতে প্রাইমারি স্কুল হয়ে মশ্রব আলীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাটের কোন কাজ না করে ১০মে.টন চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। সরকারি বরাদ্দ আত্মসাৎ করার পেছনে পিআইও,র যোগসাজশ রয়েছে বলেও জানা গেছে।
এছাড়াও পিআইও’র বিরুদ্ধে রয়েছে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগ। প্রকল্পস্থানে সরেজমিনে না গিয়ে বরাদ্দ ছাড় এর সুপারিশ করা,এক পর্যায়ে চুরান্ত বিল প্রদানের ব্যবস্থা করা, প্রবাসে থাকে এমন লোকজনের নামে বিল প্রদান, নিজ কর্মস্থলে না থেকে অতিরিক্ত দায়িত্বের কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক অবস্থান করা সহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে পিআইও,র বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার সচেতন লোকজন বলেন, উপজেলাব্যাপী খোঁজ নেয়া হলে কাজ না করে বরাদ্দের চাল-গম ও টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অনেক বিষয় প্রকাশ পাবে।
দুগনুই প্রকল্পের সভাপতি চান মিয়া বলেন,আমার এই রাস্তাটির কোন কাজ হয়নি, পিআইও ও ইউওনো সাহেব টাকা তুলে কাকে দিয়েছেন আমি জানি না।
মাটিয়ার বন প্রকল্পের সেক্রেটারি মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, এই প্রকল্পের কাজ হয়নি, আমি জানিনা কে বা কারা টাকা তুলেছে। পিআইও সাহেব বলতে পারবে টাকা কাকে দিয়েছে।
বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান খান বলেন,এই রাস্তার কাজ হয়নি। প্রকল্প সভাপতি থাকে প্রবাসে, পিআইও মোতালিব সরকার এর সহযোগিতায় সাবেক এমপির আত্নীয় নওধার গ্রামের লোক টাকা উটিয়ে নিয়ে গেছে। কমিটির লোকেরা জানেনা।
মধ্যনগর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ মোতালিব সরকারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কাজহয়েছে শুনে বিল দিয়েছি। ১০ টন এক সাথে বিল দিয়েছেন কিভাবে আইনে নেই, জবাবে তিনি বলেন ইউওনো স্যারের কথায় দিয়েছি।
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও অতীশ দর্শী চাকমা বলেন, পিআইও বিল উপস্তাপন করেছে, আমি সাক্ষর করেছি, কাজ না হয়ে থাকলে তদন্ত করে আইন গত ব্যবস্থানেওয়া হবে। এক সাথে ১০ টন চালের বিল কিভাবে দিলেন আইনে কি আছে। জবাবে তিনি বলেন আমার আইনটা জানা নেই, পিআইওর কাছে জেনে বলবো।




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন