
সৈয়দ সময় ,নেত্রকোনা :
১১ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত হলো জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন।এই সম্মেলন শুধু একটি জেলা কমিটির নির্বাচন নয় এটি ছিল জাতীয়তাবাদী রাজনীতির মাঠে নতুন করে দাঁড়াবার অঙ্গীকার।সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মো. আনোয়ারুল হক, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।ফল ঘোষণার পরই সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও তিনবারের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর লিখলেন ,“নেত্রকোনার আকাশে আজ জাতীয়তাবাদের নতুন সূর্যোদয়।”দীর্ঘ বিরতির পর শক্তিশালী প্রত্যাবর্তনরাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘ বিরতির পর এমন জাঁকজমকপূর্ণ সম্মেলন বিএনপির তৃণমূলকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করবে।বাবরও বলেছেন, “প্রতিদ্বন্দ্বী প্রত্যেক প্রার্থী আওয়ামী ফ্যাসিবাদের নিপীড়নের শিকার হয়েও ছিলেন যোগ্য। বিজয়ীরা যেমন অভিনন্দনযোগ্য, তেমনি যারা জয়ী হতে পারেননি তারাও আগামী দিনের সংগ্রামে সমান গুরুত্বপূর্ণ।”ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা সম্মেলনে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ সহযোগী সংগঠনের শৃঙ্খলাপূর্ণ ভূমিকা বিশেষভাবে দৃষ্টি কাড়ে।
বাবরের মতে, এটি কেবল একটি সংগঠন নয় নেত্রকোনার বিএনপি আজ “সম্প্রীতি ও ঐক্যের প্রতীক”, যা ভবিষ্যৎ আন্দোলনে শক্ত ভিত গড়তে সহায়তা করবে।লুৎফুজ্জামান বাবরের বক্তব্য শুধু অভিনন্দনেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ছিল এক রাজনৈতিক রূপরেখা।তিনি আহ্বান জানান,“ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।”জাতীয় প্রেক্ষাপটে বার্তা ,
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নেত্রকোনার সম্মেলন শুধু স্থানীয় প্রেক্ষাপট নয় এটি জাতীয় রাজনীতিতেও একটি ইঙ্গিতবাহী বার্তা বহন করছে।
বাবরের বিশ্বাস“নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে নেত্রকোনায় জাতীয়তাবাদী শক্তির উন্মেষ ঘটবে, তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী হবে, এবং মুক্তির সংগ্রামে নেত্রকোনা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।”




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন