
এর আগে, বিকেলে উপজেলার আড়াইসিধা বাজারের পাশের রঙিলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল একই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা রোকন উদ্দিন মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে রোকন উদ্দিন মিয়ার পরিবারের সঙ্গে চাচা আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে খলিল মিয়া, মাঈনউদ্দিন ও আলমগীরের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রোকন মিয়ার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। পরে সোহেল মিয়াকে আলমগীর, খলিল, মাইনুদ্দিন ও রমজান মিয়া ঝাপটে ধরে কিলঘুষি মারেন।
এতে সোহেল গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহাম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছেন। নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এর আগে, বিকেলে উপজেলার আড়াইসিধা বাজারের পাশের রঙিলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল একই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা রোকন উদ্দিন মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে রোকন উদ্দিন মিয়ার পরিবারের সঙ্গে চাচা আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে খলিল মিয়া, মাঈনউদ্দিন ও আলমগীরের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রোকন মিয়ার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। পরে সোহেল মিয়াকে আলমগীর, খলিল, মাইনুদ্দিন ও রমজান মিয়া ঝাপটে ধরে কিলঘুষি মারেন।
এতে সোহেল গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহাম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছেন। নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এর আগে, বিকেলে উপজেলার আড়াইসিধা বাজারের পাশের রঙিলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল একই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা রোকন উদ্দিন মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে রোকন উদ্দিন মিয়ার পরিবারের সঙ্গে চাচা আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে খলিল মিয়া, মাঈনউদ্দিন ও আলমগীরের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রোকন মিয়ার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। পরে সোহেল মিয়াকে আলমগীর, খলিল, মাইনুদ্দিন ও রমজান মিয়া ঝাপটে ধরে কিলঘুষি মারেন।
এতে সোহেল গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহাম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছেন। নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

এর আগে, বিকেলে উপজেলার আড়াইসিধা বাজারের পাশের রঙিলাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল একই এলাকার মুক্তিযোদ্ধা রোকন উদ্দিন মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে রোকন উদ্দিন মিয়ার পরিবারের সঙ্গে চাচা আবুল কাশেম মিয়ার ছেলে খলিল মিয়া, মাঈনউদ্দিন ও আলমগীরের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রোকন মিয়ার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি হয়। পরে সোহেল মিয়াকে আলমগীর, খলিল, মাইনুদ্দিন ও রমজান মিয়া ঝাপটে ধরে কিলঘুষি মারেন।
এতে সোহেল গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাহিদ আহাম্মেদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছেন। নিহতের মরদেহ সদর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।



















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন