
নভেল চৌধুরী, রংপুর প্রতিনিধি: কোটা বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন দেশের বাইরে থেকেও মামলার আসামি হয়েছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া রংপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লন্ডন প্রবাসী ব্যারিষ্টার মঞ্জুম আলী। ফলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে গঙ্গাচড়া উপজেলার জন সাধারণের মাঝে। মঙ্গলবার উপজেলার আনুর বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
উপজেলার লহ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদি লিখিত বক্তব্যে বলেন, সারাদেশে যখন কোটা বিরোধী আন্দোলন চলমান তখন আমার বড় ভাই ব্যারিষ্টার মঞ্জুম আলী লন্ডনে অবস্থান করছিলেন। তিনি গত ২৩ জুন পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্যে দেশত্যাগ করেন এবং তিনি এখনও দেশে আসেননি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো আন্দোলন চলাকালীন আহতের ঘটনায় করা মামলায় আমার ভাই মঞ্জুমকে ৩ নম্বর ও আমাকে ৪২ নম্বর আসামি উল্লেখ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা।
তিনি আরও বলেন, আমরা কখনই ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিপরীতে যাইনি। আমি এবং আমার ভাই সবসময় শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলাম। আমরা গেল এসএসসি পরিক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছি। তরুন সমাজকে এগিয়ে নিতে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। যা স্থানীয় কিছু রাজনীতিবিদরা মেনে নিতে পারছেন না। এ কারণেই তারা আমাদের রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুন্ন করতে অপরাজনীতি শুরু করেছে। যে ব্যক্তি বাদি হয়ে আমাদের দুইভাইকে আসামি বানিয়েছেন তিনি কখনই আমাদের দেখেননি এবং চেনেন না।
ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদি আরও বলেন, আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর যারা হামলা করেছে তাদের সুষ্ঠু বিচার করা হোক এটা আমরাও চাই, কিন্তু ব্যক্তিস্বার্থ হাসিল করতে মামলার বাদীদের জিম্মি করে এ ধরণের মামলা বাণিজ্য হোক সেটা কেউই চায় না। তাই এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কগণ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সকল উপদেষ্টাগণের সুদক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতার আহŸান জানাচ্ছি। এসময় গঙ্গচড়ার উপজেলার বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষজন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আন্দোলনকারী মমদেল আহতের ঘটনায় গত ২৫ আগস্ট তার মামা আবুল কাশেম ব্যারিষ্টার মঞ্জুম আলী ও লহ্মীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদীসহ ৮০ জনের নাম উল্লেখ করে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন