
রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরে হায়দারীয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মানিকের অনিয়ম-দূর্নীতির ও নিয়োগ বাণিজ্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলন করেছে এলাকাবাসী।
বুধবার রংপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্যে আবু সাঈদ জানান, বদরগঞ্জ উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের হায়দারীয়া দাখিল মাদ্রাসায় দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মানিক তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে পকেট কমিটি গঠন করে মাদ্রাসাটি পরিচালনা করে আসছে। সেই সাথে নানা অনিয়ম-দূর্নীতি করে অর্থলোপাটের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে। মানিক ও তার বড় ভাই মাদ্রাসার অফিস সহায়ক আমিনুল ইসলাম সাজু ও মাদ্রাসা সুপার মিলে ঘরোয়াভাবে ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৩৬ লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে ৩টি পদে নিয়োগ দেন। এ কাজে সহায়তা করেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম মোঃ আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক ও বদরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র আহসানুল হক চৌধুরী টুটুল বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান ওই অভিযোগকারী।
ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মানিক ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সরকারী ও ব্যক্তিগতভাবে মাদ্রাসায় অনুদান বরাদ্দের ৩০ লাখ টাকা আত্মসাত করেন। মাদ্রাসার ওয়াশরুমের রডের বদলে বাঁশ দিয়ে মেরামত করান। প্রতি বছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি ফি, সেশন ফি বাবদ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন মানিক, তার ভাই সাজু ও বর্তমান সুপার। মিজানের ভাই সাজু নিজের ব্যক্তিগত ঋণের কিস্তি মাদ্রাসার তহবিল থেকে পরিশোধ করে চার থেকে পাঁচটি বাড়ি তৈরী করে ভাড়া দিয়েছেন। ইবতেদায়ী বিভাগে ৬ থেকে ৭ বছর ধরে কোন শিক্ষার্থী না থাকলেও অবৈভাবে কিছু শিক্ষককে সরকারী বেতন-ভাতার সুবিধা দিয়ে মিজান তাদের কাছ থেকে বেতন-ভাতার ভাগ নিতেন। এ সময় অনিয়মের প্রতিবাদ করায় চলতি বছর ২২ সেপ্টেম্বর এলাকাবাসী মাসুদ রানা, শাহ পরান ও সাজেদুল ইসলাম বাড়ি ফেরার পথে গুন্ডাবাহিনী দিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল মানিক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, এলাকাবাসী মাসুদ রানা, শাহ পরান, সাজেদুল ইসলামসহ অন্যরা।
এ ব্যাপারে হায়দারীয়া দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মানিকের মুঠোফোনে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন