
আহসান হাবীব নাহিদ সাদুল্লাপুর উপজেলা প্রতিনিধি :
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে গোপনে ইউনিয়ন বিএনপি’র পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা ও সমাবেশে হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ৯ নং বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি’র একাংশের নেতারা। ৩রা সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে সাদুল্লাপুর প্রেসক্লাব সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে একাংশের নেতাকর্মীদের স্বাক্ষর সম্বলিত লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল উপজেলা শাখার সাবেক (ভারপ্রাপ্ত) সাধারণ সম্পাদক ও বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মোঃ রেজাউল করিম রাজু।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সাদুল্লাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অনিয়মের মাধ্যমে ফ্যাসিসদের পুর্নবাসন করে কমিটি গঠন করা হয়। অথচ ৯নং বনগ্রাম ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ড কমিটি সাংগঠনিক নিয়মে গঠন না করেই জেলা বিএনপির সভাপতির নির্দেশে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ ছামছুল হাসান ছামছুল, সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল ছালাম মিয়া ব্যক্তি স্বার্থসির্দ্ধির লক্ষ্যে অস্বচ্ছতার মাধ্যমে গঠনতন্ত্র বহির্ভূত ৯নং বনগ্রাম ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কমিটি গঠনের পায়তারা চালান। সাংগঠনিক প্রকৃয়ায় গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী ৯টি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করে ৯ বনগ্রাম ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কাউন্সিল ও সম্মেলন স্বচ্ছতার মাধ্যমে গঠনের জন্য এবিষয়ে আমরা জেলা বিভাগ ও কেন্দ্রীয় কমিটির নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।এবং গোপনে পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টায় পায়তারা করায় জেলা বিএনপির সভাপতি ডাক্তার ময়নুল হাসান সাদিকের অপসারণের দাবী ৩১শে আগষ্ট ৯নং বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির ত্যাগী তৃনমূলের নেতৃবৃন্দরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে আহবান করি। আমাদের পূর্বঘোষিত এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বাঁধাগ্রস্ত করতে সকাল সাড়ে দশটায় প্রথম উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোঃ ছামছুল হাসান ছামছুল, সদস্য সচিব আব্দুল সালাম মিয়া’র নেতৃত্বে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ মাহিদুল ইসলাম মিঠু, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আনোয়ার হোসেন রাখু, বনগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক শাহীন পারভেজ, জামালপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক হিরু মিয়া, মাহিদুল ইসলাম, উপজেলা সেচ্ছাসেবদলের আহবায়ক নয়ন কবির নয়নের নেতৃত্বে তাদের ভাড়াটিয়া লোকজন আমাদের প্রচার মাইক ভাংচুর করে নেতাকর্মীদের কে লাঞ্চিত করেন। আমাদের নেতাকর্মীরা বাঁধাগ্রস্থ এবং লাঞ্চিত হয়েও আমারা শান্তিপূর্ণ ভাবে নেতাকর্মীরা সাদুল্লাপুর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে সমবেত হয়ে শহিদ মিনার চত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণের লক্ষ্যে সাদুল্লাপুর মেইন চৌমাথা মোড়ে পৌছানোর আগেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার আশংকা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশৃঙ্খলা এঁরাইতে বাঁধা প্রদান করে শহীদ মিনার চত্বরে দিকে যেতে বলায় আইনের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা চত্বর হয়ে ঘুরিয়ে শহিদ মিনারে সমাবেশ স্থলে পৌছানোর সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ছামছুল হাসান ছামছুল ও সদস্য সচিব মোঃ আব্দুল সালাম মিয়া’র নেতৃত্বে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ মাহিদুল ইসলাম মিঠু, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আনোয়ার হোসেন রাখু, বনগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক শাহীন পারভেজ, জামালপুর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক হিরু মিয়া, মাহিদুল ইসলাম, উপজেলা সেচ্ছাসেবদলের আহবায়ক নয়ন কবির নয়ন ও পারভেজ সরকারের নেতৃত্বে তাদের ভাড়াটিয়া লোকজন আমাদের উপরে আঘাত করেন।এই হামলাকারীদের লাঠি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা সুলতান সরকার, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শাহজাহান মিয়া ও মকবুল হোসেনসহ পুলিশ-সাংবাদিক গুরুতর আহত হন। যা অত্যান্ত দুঃজনক ও ঘৃণিত ঘটনা। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারসহ ৯ বনগ্রাম ইউনিয়ন সাংগঠনিক প্রকৃয়ায় গঠন্তন্ত্রের বিধি বিধান মোতাবেক স্বচ্ছভাবে কমিটি গঠনের জন্য আপনাদের লিখুনির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট অনুরোধের মাধ্যমে আহবান জানাচ্ছি।সংবাদ সম্মেলনে বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির বর্তমান যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ শাহ আলম মিয়া, সৈয়দ মজনু মিয়া, দেলওয়ার রহমান, আব্দুল হামিদসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন