
আকিকুর রহমান রুমন
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে কৃষি জমি থেকে একটি শক্তিশালী গ্রেনেড বোমা উদ্ধার করেন সেনাবাহিনী।তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।কিন্তু এলাকার ভিতরে কৃষি জমি থেকে গ্রেনেড উদ্ধারের ঘটনায় অনেকের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে।এবং এই বিষয়টি সিলেট সেনা অধিদপ্তরে জানিয়ে এটা পরীক্ষা করে বিনষ্ট করার জন্য আবেদন জানানো হয়।পরে সেখান থেকে জানানো হয় ১৫ জানুয়ারি(বৃহস্পতিবার)সকালে একদল বম স্কোয়াডিং পারদর্শী সদস্য পাঠানো হবে।এবং এটি সক্রিয় থাকলে তারা গ্রেনেডটিকে নিষ্ক্রীয় করার বিষয়টি গোয়েন্দা সূত্র জানান।১৪ জানুয়ারি(বুধবার)বানিয়াচং উপজেলা সদরের ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ছিলাপাঞ্জা মহল্লার প্রবাসী মহিবুর মিয়ার বাড়ির রাস্তার পাশের কৃষি জমির মাটির থেকে এই গ্রেনেডটি উদ্ধার করেন শ্রমিকগন।জানাযায়,দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে কৃষি জমির চারপাশে বাউন্ডারির জন্য শ্রমিক দ্ধারাতে পিলারের জন্য মাপ অনুযায়ী গর্ত করা হয়।একে একে পিলারের গর্ত করতে গিয়ে হঠাৎ নিচ থেকে বাঁধা আসার পরও বার,বার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।এমনকি শ্রমিকগন নিচ থেকে কিসের একটা(শব্দ)শুনতে পান।পরে তারা গর্তে নেমে হাত দিয়ে কিছু মাটি সড়ানোর পর পরই এই গ্রেনেডটি দেখতে পান এবং নিচ থেকে উঠিয়ে আনেন।এবং বাড়ির লোকজন সহ আশপাশের লোকজনকে দেখালে তারা বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করেন।এবং তাৎক্ষণিক থানা পুলিশ ঘটনাটি সেনাবাহিনীকে অবগত করলে তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান।এ ঘটনাস্হলে একদল পুলিশ প্রেরণ করা হয়।এদিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে এটা হ্যান্ড গ্রেনেড হিসাবে প্রাথমিক ভাবে সনাক্ত করেন।অন্যদিকে এই গ্রেনেড উদ্ধারের খবরটি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাাসী ও আশপাশ থেকে নারী,পুরুষগন ছুটে আসেন এটা এক নজর দেখার জন্য।পরে সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।এবং এই গ্রেনেড উদ্ধারের বিষয়টি সিলেট সেনাবাহিনীর অধিদপ্তরকে অবগত করা হয়।এবং ১৫ জানুয়ারি(বৃহস্পতিবার)সকালে সিলেট থেকে বোম নিষ্ক্রীয়কারী সেনাবাহিনীর একদল সদস্য ঘটনাস্থলে এসে এটা পরীক্ষা করে বিনষ্ট করা হবে।এই গ্রেনেড উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)শরীফ আহমেদ।তিনি আরও জানান,সেনাবাহিনীর বোম স্কোয়াডিং এর সদস্যদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে।তারা এসে এটি বাস্টিং করবেন।তবে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি কখন আসবেন।অন্যদিকে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সূত্রে জানাযায়,ঘটনাস্হলে পুলিশ ও গ্রাম পুলিশ রয়েছেন।আগামীকাল ১৫ জানুয়ারি(বৃহস্পতিবার)সিলেট থেকে একদল বোম স্কোয়াডিং এর সদস্যগন এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রীয় করবেন বলে জানান।তবে তারা আসার পর সিদ্ধান্ত নিবেন কখন এবং কোথায় এটাকে নিষ্ক্রীয়(বাস্টিং)করা হবে।এই গ্রেনেড উদ্ধারের পর পুলিশ প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের কাছ থেকে জানাযায়,এটা বাংলাদেশে ব্যবহৃত করার মতো কোন গ্রেনেড নয়।এবং এটি খুবই শক্তিশালী গ্রেনেড।যাহা বাহিরের দেশ গুলোতে যুদ্ধের মধ্যে এসব ব্যবহার করা হয়ে থাকে।তবে এটা এখানে কিভাবে আসলো এ বিষয়ে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।তবে এই গ্রেনেড উদ্ধারের ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।তবে বানিয়াচংয়ের মাটিতে এই প্রথম এমন গ্রেনেড বোমা উদ্ধারের ঘটনায় জনমনে দেখা দিয়েছে আতংক।তেমনি এনিয়ে শুরু হয়েছে নানান আলোচনা ও সমালোচনা।এ ব্যাপারে সর্বশেষ জানতে রাত ১২টার দিকে ইউপি সদস্য তোফাজ্জল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,বর্তমানে এটা তার বন্ধু মহিবুর মিয়ার বাড়ির পাশে নির্জন জায়গায় রয়েছে।এবং সেখানে দুইজন পুলিশ সদস্য ও তাদের ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ প্রহরায় রয়েছেন।আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট থেকে একদল সেনাবাহিনী এসে এটা বাস্টিং করবেন।





















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন