• About us
  • Privacy Policy
  • Contact
  • Team
Sunday, 19 April, 2026
  • Login
  • Register
দেশবাংলা প্রতিদিন
Advertisement
  • Home
    • Home – Layout 1
    • Home – Layout 2
    • Home – Layout 3
    • Home – Layout 4
    • Home – Layout 5
    • Home – Layout 6
  • News
  • Tech
  • Entertainment
  • Lifestyle
  • Review
কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি
সকল ফলাফল দেখুন
দেশবাংলা প্রতিদিন
  • Home
    • Home – Layout 1
    • Home – Layout 2
    • Home – Layout 3
    • Home – Layout 4
    • Home – Layout 5
    • Home – Layout 6
  • News
  • Tech
  • Entertainment
  • Lifestyle
  • Review
Sunday, 19 April, 2026
কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি
সকল ফলাফল দেখুন
দেশবাংলা প্রতিদিন
কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি
সকল ফলাফল দেখুন
  • হোম
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • বিনোদন
  • ধর্ম
  • অন্যান্য
  • আমাদের পরিবার
প্রথম পাতা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

অনলাইনে নিরাপদ থাকার কৌশল

Deshbangla Pratidin প্রকাশক Deshbangla Pratidin
4 years আগে প্রকাশিত |
ক্যাটাগরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
পড়তে সময় লাগবে: 2 মিনিট
A A
0
রং বদল করা স্মার্ট ফ্রিজ
0
শেয়ার হয়েছে
0
দেখেছেন
Share on FacebookShare on Twitter

প্রযুক্তির এ যুগে স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ছাড়া দিন পার করা কঠিনই বটে। করোনাকালের পর ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেড়েছে। বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে ইন্টারনেট। আর তাই আমাদের দৈনিক ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি বড় অংশজুড়েই রয়েছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন না হলে এসব সাইটে বড় ধরনের সাইবার হামলার কবলে পড়তে হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন সাইটে নিরাপদে থাকার কৌশলগুলো জেনে নেওয়া যাক।

ফেসবুক

ফেসবুক ব্যবহার করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া এখন কঠিনই। ফেসবুকে অনেকেই নিয়মিত ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি প্রকাশ (পোস্ট) করেন। এতে পরিচিতদের পাশাপাশি অপরিচিতরাও ব্যক্তিগত তথ্য জেনে যান। সাইবার অপরাধীরা চাইলেই ছবি বা তথ্যগুলো কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলা চালাতে পারে। ফেসবুকে নিরাপদ থাকতে নিচের বিষয়গুলো জানতে হবে।

বন্ধু তালিকার সবাই কি পরিচিত: ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় যাঁরা আছেন, তাঁদের সবাইকে কি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন? একেবারেই অপরিচিত কেউ আছে কি না, সেটা যাচাই করা প্রয়োজন। নতুন বন্ধু বানানোর আগে অবশ্যই সেই ব্যক্তির প্রোফাইল দেখে বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা উচিত। প্রোফাইলের ছবি এবং অন্যান্য তথ্য দেখে যদি নির্ভরযোগ্য মনে হয়, তবেই তাকে বন্ধু তালিকায় জায়গা দেওয়া উচিত।

প্রাইভেসি সেটিংস নির্ধারণ: ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া তথ্যগুলো কারা দেখতে পারবে, ফেসবুক সার্চ অপশনে নাম বা কোনো তথ্য দেখা যাবে কি না, কেউ বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠাতে পারবে কি না, তা প্রাইভেসি সেটিংসের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি ফেসবুকে পোস্ট করার আগে সেটি কারা দেখতে পারবে, তা–ও নির্বাচন করতে হবে। এতে অবাঞ্ছিত ব্যক্তিরা আপনার তথ্য ও ছবি দেখতে পারবে না।

পাসওয়ার্ডে সচেতনতা: অ্যাকাউন্টে লগইন করার জন্য ফোন নম্বর ও ই–মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। ই–মেইল ঠিকানা এবং ফোন নম্বর অন্যরা জানলেও সমস্যা নেই, তবে পাসওয়ার্ড অবশ্যই গোপন রাখতে হবে। কখনোই কোনো প্রয়োজন বা প্রলোভনে পড়ে কাউকে পাসওয়ার্ড জানানো যাবে না।

পাসওয়ার্ডে এমন কোনো শব্দ বা সংখ্যা ব্যবহার করা উচিত নয়, যেটা সহজেই অন্য কেউ অনুমান করতে পারবে। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, নিজের মা–বাবা বা প্রিয়জনের নাম, জন্মতারিখ বাসার ঠিকানা বা এলাকার নাম মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আপনাকে যাঁরা চেনেন, তাঁদের পক্ষে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করা কঠিন নয়। হয়তো তাঁরা আগে থেকেই জানেন, তাই এমন তথ্য কখনোই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

দুই স্তরের নিশ্চিতকরণ: টু স্টেপ বা দুই ধাপে লগইন পদ্ধতি বেছে নিয়ে আরও নিরাপদে ফেসবুক ব্যবহার করা যায়। প্রত্যেকেরই উচিত নিজের অ্যাকাউন্টে স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করা। ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করা হলে আপনার মুঠোফোনে একটি সাংকেতিক এসএমএস আসবে এবং মোবাইলে থাকলে সেখানে নোটিফিকেশন দেখা যাবে। এসএমএস কোড অ্যাপ থেকে নিশ্চিত করা হলেই কেবল লগইন করা যাবে।

একই অ্যাকাউন্ট থেকে পেজ ম্যানেজ করা: ফেসবুক পেজ তৈরি করার সময় একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেই অ্যাকাউন্টে একাধিক মানুষ পেজ হালনাগাদের কাজ করেন অনেক সময়। এটি সম্পূর্ণ ভুল পদ্ধতি। কারণ, এ ক্ষেত্রে একাধিক মানুষ একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করায় পাসওয়ার্ড ভাগাভাগি করতে হচ্ছে। আবার সব হালনাগাদ একই অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার ফলে কে পোস্ট দিচ্ছেন, তা জানা যাচ্ছে না।

ফেসবুকে গেম বা কুইজ থেকে সাবধান: কে আপনাকে ভালোবাসে, ভবিষ্যতে আপনি কোন পেশায় যাবেন, আপনার পরবর্তী ভ্রমণের জায়গা কোনটি হবে ইত্যাদিসহ নানা ধরনের মজার কুইজ বা গেম ফেসবুকে দেখা যায়। এগুলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এসব গেম খেলার সময় বলা হয়, আপনার ব্যক্তিগত প্রশ্নগুলোর ওপর ভিত্তি করে ফলাফল দেখানো হবে। আর তখনই আপনার প্রোফাইলের তথ্যগুলো সেই গেম বা কুইজ নির্মাতারা নিয়ে নেয়।

নিয়মিত চেকআপ: ফেসবুকের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের কোনগুলো কেন প্রয়োজন, তা ফেসবুকের একটি পেজ থেকে যাচাই করা ভালো। facebook.com/privacy/checkup হলো সেই পেজ। এই পেজ থেকে নিজের প্রোফাইলের নিরাপত্তার অবস্থা দেখা যায়।

অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা

ফেসবুকের পর ইনস্টাগ্রাম দেশে বেশি ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ইনস্টাগ্রামের প্রোফাইলে বেশ কিছু প্রাইভেসি সেটিংস রয়েছে। ফেসবুকে আলাদাভাবে প্রতিটি পোস্টের জন্য প্রাইভেসি নির্ধারণ করা গেলেও ইনস্টাগ্রামে সেই সুযোগ নেই। তবে অ্যাকাউন্টটি প্রাইভেট হিসেবে করে রাখা যেতে পারে, যেখানে কেবল অনুসারী হিসেবে যুক্তরাই আপনার ছবি, ভিডিও দেখতে পারবে।

ইনস্টাগ্রামে মন্তব্যের সুবিধা বন্ধ রাখা: পোস্টে কোনো মন্তব্য করা হলে সেটি আলাদাভাবে মুছে ফেলার (ডিলিট) ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এমন যদি হয়, একটি পোস্টে কোনো মন্তব্যই চাচ্ছেন না, সে ক্ষেত্রে পোস্ট করার আগে অ্যাডভান্স সেটিংস থেকে মন্তব্য বা কমেন্টস বন্ধ করে রাখতে পারেন।

রিপোর্ট করা

ইনস্টাগ্রামে কী ধরনের পোস্ট দেওয়া যাবে, সে বিষয়ে নীতিমালা রয়েছে। আপত্তিকর বা অপমানজনক কোনো পোস্ট দেখলে রিপোর্ট করার ব্যবস্থা রয়েছে। সত্য প্রমাণিত হলে ইনস্টাগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলবে। এর ওয়েব ঠিকানা

মেসেঞ্জার

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে দেয়। মেসেঞ্জারের জন্য আলাদা নীতিমালা না থাকলেও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নীতিমালা রয়েছে। মেসেঞ্জার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের চেয়ে বাড়তি কিছু সতর্কতা প্রয়োজন।

মেসেঞ্জারের লিংক থেকে সাবধান

বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার বা প্রতিযোগিতায় বিজয়ের সুযোগ এসেছে, এমন প্রলোভন দেখিয়ে মেসেঞ্জারে তথ্য নেওয়া হয়। ফলে সাবধান।

মেসেঞ্জার কিডস

ফেসবুক ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর। এর চেয়ে কম বয়সী কারও আইনত ব্যবহারের অনুমতি নেই। আপনি চাইলে আপনার সন্তানের জন্য সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার কিডস ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপে আলাদাভাবে নিবন্ধন করার সুযোগ নেই, বরং অভিভাবকেরা তাঁর সন্তানের জন্য অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় করতে পারেন। মেসেঞ্জার কিডস অ্যাপ থেকে অপর মেসেঞ্জার কিডস বা সাধারণ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। মেসেঞ্জার অ্যাপস থেকে কী কী লিংক শেয়ার করা হচ্ছে এবং কার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে, তার একটি প্রতিবেদন অভিভাবকদের প্রতি সপ্তাহে পাঠানো হয়।

ই–মেইল অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা টুইটারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ই–মেইল ঠিকানা প্রায় বাধ্যতামূলক। তাই ই–মেইল নিয়মিত ব্যবহার না করলেও ই–মেইল অ্যাকাউন্ট সবারই হয়েছে বলা যেতে পারে। ই–মেইল অন্য অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকে বলেই এর নিরাপত্তায় বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ই–মেইল

কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কোন ই–মেইল ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি নিশ্চিতভাবে জানা প্রয়োজন। সেই অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে কি না কিংবা টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু আছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যে ই–মেইল ব্যবহার করা হয়েছে, মূল অ্যাকাউন্টের মতো সেটিরও নিরাপত্তা জরুরি।

ফিশিং লিংক

পরিচিত কোনো ওয়েবসাইট ঠিকানার মতো দেখতে কিন্তু ক্ষতিকর—এসবই ফিশিং লিংক। হয়তো ফেসবুকে ফেসবুক বা জিমেইলের ঠিকানার মতো কোনো একটি লিংক ই–মেইল বা মেসেঞ্জারে আসতে পারে। সেটি খোলা হলে হয়তো ফেসবুক বা গুগলের লগইন পৃষ্ঠার মতো একটি পৃষ্ঠা দেখা যাবে। কিন্তু সেখানে ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড লেখা হলে অ্যাকাউন্টে লগইন না হয়ে অন্য কোনো ঠিকানায় তথ্য জমা হতে থাকবে। পরবর্তী সময়ে এই ইউজারনেম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অন্য কেউ আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রক হতে পারে। তাই কোনো লিংক খোলার আগে তা দেখে নেওয়া জরুরি।

লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখা

নির্দিষ্ট অ্যাপে প্রয়োজনের সময় ছাড়া ফোনের, আদতে আপনার অবস্থান শেয়ার করার সুবিধাটি বন্ধ রাখতে হবে। লোকেশন শেয়ার চালু থাকলে অন্যরা জানতে পারবে আপনি কখন কোন এলাকায় থাকছেন।

অনলাইনে কেনাকাটা

অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ছাড়া কোথাও থেকে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে কেনাকাটা এড়িয়ে চলতে হবে।

আর্থিক লেনদেন

অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটি পাওয়া যায়, তা হলো পরিচিত কারও কাছে আর্থিক সহায়তা চাওয়া। এমন কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলে, যিনি সাহায্য চাচ্ছেন, তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করা বা ফোনে যোগাযোগ করে আগে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

অন্য যন্ত্র থেকে লগইন

অপরের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্য কোনো যন্ত্রে লগইন করা থাকলে পাসওয়ার্ড না জানলেও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা সম্ভব।

প্রযুক্তির এ যুগে স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ছাড়া দিন পার করা কঠিনই বটে। করোনাকালের পর ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেড়েছে। বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে ইন্টারনেট। আর তাই আমাদের দৈনিক ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি বড় অংশজুড়েই রয়েছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন না হলে এসব সাইটে বড় ধরনের সাইবার হামলার কবলে পড়তে হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন সাইটে নিরাপদে থাকার কৌশলগুলো জেনে নেওয়া যাক।

ফেসবুক

ফেসবুক ব্যবহার করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া এখন কঠিনই। ফেসবুকে অনেকেই নিয়মিত ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি প্রকাশ (পোস্ট) করেন। এতে পরিচিতদের পাশাপাশি অপরিচিতরাও ব্যক্তিগত তথ্য জেনে যান। সাইবার অপরাধীরা চাইলেই ছবি বা তথ্যগুলো কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলা চালাতে পারে। ফেসবুকে নিরাপদ থাকতে নিচের বিষয়গুলো জানতে হবে।

বন্ধু তালিকার সবাই কি পরিচিত: ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় যাঁরা আছেন, তাঁদের সবাইকে কি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন? একেবারেই অপরিচিত কেউ আছে কি না, সেটা যাচাই করা প্রয়োজন। নতুন বন্ধু বানানোর আগে অবশ্যই সেই ব্যক্তির প্রোফাইল দেখে বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা উচিত। প্রোফাইলের ছবি এবং অন্যান্য তথ্য দেখে যদি নির্ভরযোগ্য মনে হয়, তবেই তাকে বন্ধু তালিকায় জায়গা দেওয়া উচিত।

প্রাইভেসি সেটিংস নির্ধারণ: ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া তথ্যগুলো কারা দেখতে পারবে, ফেসবুক সার্চ অপশনে নাম বা কোনো তথ্য দেখা যাবে কি না, কেউ বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠাতে পারবে কি না, তা প্রাইভেসি সেটিংসের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি ফেসবুকে পোস্ট করার আগে সেটি কারা দেখতে পারবে, তা–ও নির্বাচন করতে হবে। এতে অবাঞ্ছিত ব্যক্তিরা আপনার তথ্য ও ছবি দেখতে পারবে না।

পাসওয়ার্ডে সচেতনতা: অ্যাকাউন্টে লগইন করার জন্য ফোন নম্বর ও ই–মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। ই–মেইল ঠিকানা এবং ফোন নম্বর অন্যরা জানলেও সমস্যা নেই, তবে পাসওয়ার্ড অবশ্যই গোপন রাখতে হবে। কখনোই কোনো প্রয়োজন বা প্রলোভনে পড়ে কাউকে পাসওয়ার্ড জানানো যাবে না।

পাসওয়ার্ডে এমন কোনো শব্দ বা সংখ্যা ব্যবহার করা উচিত নয়, যেটা সহজেই অন্য কেউ অনুমান করতে পারবে। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, নিজের মা–বাবা বা প্রিয়জনের নাম, জন্মতারিখ বাসার ঠিকানা বা এলাকার নাম মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আপনাকে যাঁরা চেনেন, তাঁদের পক্ষে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করা কঠিন নয়। হয়তো তাঁরা আগে থেকেই জানেন, তাই এমন তথ্য কখনোই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

দুই স্তরের নিশ্চিতকরণ: টু স্টেপ বা দুই ধাপে লগইন পদ্ধতি বেছে নিয়ে আরও নিরাপদে ফেসবুক ব্যবহার করা যায়। প্রত্যেকেরই উচিত নিজের অ্যাকাউন্টে স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করা। ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করা হলে আপনার মুঠোফোনে একটি সাংকেতিক এসএমএস আসবে এবং মোবাইলে থাকলে সেখানে নোটিফিকেশন দেখা যাবে। এসএমএস কোড অ্যাপ থেকে নিশ্চিত করা হলেই কেবল লগইন করা যাবে।

একই অ্যাকাউন্ট থেকে পেজ ম্যানেজ করা: ফেসবুক পেজ তৈরি করার সময় একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেই অ্যাকাউন্টে একাধিক মানুষ পেজ হালনাগাদের কাজ করেন অনেক সময়। এটি সম্পূর্ণ ভুল পদ্ধতি। কারণ, এ ক্ষেত্রে একাধিক মানুষ একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করায় পাসওয়ার্ড ভাগাভাগি করতে হচ্ছে। আবার সব হালনাগাদ একই অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার ফলে কে পোস্ট দিচ্ছেন, তা জানা যাচ্ছে না।

ফেসবুকে গেম বা কুইজ থেকে সাবধান: কে আপনাকে ভালোবাসে, ভবিষ্যতে আপনি কোন পেশায় যাবেন, আপনার পরবর্তী ভ্রমণের জায়গা কোনটি হবে ইত্যাদিসহ নানা ধরনের মজার কুইজ বা গেম ফেসবুকে দেখা যায়। এগুলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এসব গেম খেলার সময় বলা হয়, আপনার ব্যক্তিগত প্রশ্নগুলোর ওপর ভিত্তি করে ফলাফল দেখানো হবে। আর তখনই আপনার প্রোফাইলের তথ্যগুলো সেই গেম বা কুইজ নির্মাতারা নিয়ে নেয়।

নিয়মিত চেকআপ: ফেসবুকের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের কোনগুলো কেন প্রয়োজন, তা ফেসবুকের একটি পেজ থেকে যাচাই করা ভালো। facebook.com/privacy/checkup হলো সেই পেজ। এই পেজ থেকে নিজের প্রোফাইলের নিরাপত্তার অবস্থা দেখা যায়।

অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা

ফেসবুকের পর ইনস্টাগ্রাম দেশে বেশি ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ইনস্টাগ্রামের প্রোফাইলে বেশ কিছু প্রাইভেসি সেটিংস রয়েছে। ফেসবুকে আলাদাভাবে প্রতিটি পোস্টের জন্য প্রাইভেসি নির্ধারণ করা গেলেও ইনস্টাগ্রামে সেই সুযোগ নেই। তবে অ্যাকাউন্টটি প্রাইভেট হিসেবে করে রাখা যেতে পারে, যেখানে কেবল অনুসারী হিসেবে যুক্তরাই আপনার ছবি, ভিডিও দেখতে পারবে।

ইনস্টাগ্রামে মন্তব্যের সুবিধা বন্ধ রাখা: পোস্টে কোনো মন্তব্য করা হলে সেটি আলাদাভাবে মুছে ফেলার (ডিলিট) ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এমন যদি হয়, একটি পোস্টে কোনো মন্তব্যই চাচ্ছেন না, সে ক্ষেত্রে পোস্ট করার আগে অ্যাডভান্স সেটিংস থেকে মন্তব্য বা কমেন্টস বন্ধ করে রাখতে পারেন।

রিপোর্ট করা

ইনস্টাগ্রামে কী ধরনের পোস্ট দেওয়া যাবে, সে বিষয়ে নীতিমালা রয়েছে। আপত্তিকর বা অপমানজনক কোনো পোস্ট দেখলে রিপোর্ট করার ব্যবস্থা রয়েছে। সত্য প্রমাণিত হলে ইনস্টাগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলবে। এর ওয়েব ঠিকানা

মেসেঞ্জার

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে দেয়। মেসেঞ্জারের জন্য আলাদা নীতিমালা না থাকলেও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নীতিমালা রয়েছে। মেসেঞ্জার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের চেয়ে বাড়তি কিছু সতর্কতা প্রয়োজন।

মেসেঞ্জারের লিংক থেকে সাবধান

বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার বা প্রতিযোগিতায় বিজয়ের সুযোগ এসেছে, এমন প্রলোভন দেখিয়ে মেসেঞ্জারে তথ্য নেওয়া হয়। ফলে সাবধান।

মেসেঞ্জার কিডস

ফেসবুক ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর। এর চেয়ে কম বয়সী কারও আইনত ব্যবহারের অনুমতি নেই। আপনি চাইলে আপনার সন্তানের জন্য সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার কিডস ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপে আলাদাভাবে নিবন্ধন করার সুযোগ নেই, বরং অভিভাবকেরা তাঁর সন্তানের জন্য অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় করতে পারেন। মেসেঞ্জার কিডস অ্যাপ থেকে অপর মেসেঞ্জার কিডস বা সাধারণ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। মেসেঞ্জার অ্যাপস থেকে কী কী লিংক শেয়ার করা হচ্ছে এবং কার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে, তার একটি প্রতিবেদন অভিভাবকদের প্রতি সপ্তাহে পাঠানো হয়।

ই–মেইল অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা টুইটারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ই–মেইল ঠিকানা প্রায় বাধ্যতামূলক। তাই ই–মেইল নিয়মিত ব্যবহার না করলেও ই–মেইল অ্যাকাউন্ট সবারই হয়েছে বলা যেতে পারে। ই–মেইল অন্য অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকে বলেই এর নিরাপত্তায় বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ই–মেইল

কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কোন ই–মেইল ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি নিশ্চিতভাবে জানা প্রয়োজন। সেই অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে কি না কিংবা টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু আছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যে ই–মেইল ব্যবহার করা হয়েছে, মূল অ্যাকাউন্টের মতো সেটিরও নিরাপত্তা জরুরি।

ফিশিং লিংক

পরিচিত কোনো ওয়েবসাইট ঠিকানার মতো দেখতে কিন্তু ক্ষতিকর—এসবই ফিশিং লিংক। হয়তো ফেসবুকে ফেসবুক বা জিমেইলের ঠিকানার মতো কোনো একটি লিংক ই–মেইল বা মেসেঞ্জারে আসতে পারে। সেটি খোলা হলে হয়তো ফেসবুক বা গুগলের লগইন পৃষ্ঠার মতো একটি পৃষ্ঠা দেখা যাবে। কিন্তু সেখানে ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড লেখা হলে অ্যাকাউন্টে লগইন না হয়ে অন্য কোনো ঠিকানায় তথ্য জমা হতে থাকবে। পরবর্তী সময়ে এই ইউজারনেম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অন্য কেউ আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রক হতে পারে। তাই কোনো লিংক খোলার আগে তা দেখে নেওয়া জরুরি।

লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখা

নির্দিষ্ট অ্যাপে প্রয়োজনের সময় ছাড়া ফোনের, আদতে আপনার অবস্থান শেয়ার করার সুবিধাটি বন্ধ রাখতে হবে। লোকেশন শেয়ার চালু থাকলে অন্যরা জানতে পারবে আপনি কখন কোন এলাকায় থাকছেন।

অনলাইনে কেনাকাটা

অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ছাড়া কোথাও থেকে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে কেনাকাটা এড়িয়ে চলতে হবে।

আর্থিক লেনদেন

অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটি পাওয়া যায়, তা হলো পরিচিত কারও কাছে আর্থিক সহায়তা চাওয়া। এমন কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলে, যিনি সাহায্য চাচ্ছেন, তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করা বা ফোনে যোগাযোগ করে আগে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

অন্য যন্ত্র থেকে লগইন

অপরের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্য কোনো যন্ত্রে লগইন করা থাকলে পাসওয়ার্ড না জানলেও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা সম্ভব।

বিশেষখবর

গুগলে নতুন সুরক্ষা: রিকভারিতে বন্ধু-পরিবার যুক্ত করা যাবে

ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও অরেঞ্জ কর্নারস বাংলাদেশ-এর ‘ইকোসিস্টেম ইন অ্যাকশন’ আয়োজন

বিক্রয় চালু করলো হোয়াটসঅ্যাপ অপশন ক্রয়-বিক্রয় এখন আরও সহজ ও দ্রুত

প্রযুক্তির এ যুগে স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ছাড়া দিন পার করা কঠিনই বটে। করোনাকালের পর ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেড়েছে। বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে ইন্টারনেট। আর তাই আমাদের দৈনিক ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি বড় অংশজুড়েই রয়েছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন না হলে এসব সাইটে বড় ধরনের সাইবার হামলার কবলে পড়তে হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন সাইটে নিরাপদে থাকার কৌশলগুলো জেনে নেওয়া যাক।

ফেসবুক

ফেসবুক ব্যবহার করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া এখন কঠিনই। ফেসবুকে অনেকেই নিয়মিত ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি প্রকাশ (পোস্ট) করেন। এতে পরিচিতদের পাশাপাশি অপরিচিতরাও ব্যক্তিগত তথ্য জেনে যান। সাইবার অপরাধীরা চাইলেই ছবি বা তথ্যগুলো কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলা চালাতে পারে। ফেসবুকে নিরাপদ থাকতে নিচের বিষয়গুলো জানতে হবে।

বন্ধু তালিকার সবাই কি পরিচিত: ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় যাঁরা আছেন, তাঁদের সবাইকে কি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন? একেবারেই অপরিচিত কেউ আছে কি না, সেটা যাচাই করা প্রয়োজন। নতুন বন্ধু বানানোর আগে অবশ্যই সেই ব্যক্তির প্রোফাইল দেখে বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা উচিত। প্রোফাইলের ছবি এবং অন্যান্য তথ্য দেখে যদি নির্ভরযোগ্য মনে হয়, তবেই তাকে বন্ধু তালিকায় জায়গা দেওয়া উচিত।

প্রাইভেসি সেটিংস নির্ধারণ: ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া তথ্যগুলো কারা দেখতে পারবে, ফেসবুক সার্চ অপশনে নাম বা কোনো তথ্য দেখা যাবে কি না, কেউ বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠাতে পারবে কি না, তা প্রাইভেসি সেটিংসের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি ফেসবুকে পোস্ট করার আগে সেটি কারা দেখতে পারবে, তা–ও নির্বাচন করতে হবে। এতে অবাঞ্ছিত ব্যক্তিরা আপনার তথ্য ও ছবি দেখতে পারবে না।

পাসওয়ার্ডে সচেতনতা: অ্যাকাউন্টে লগইন করার জন্য ফোন নম্বর ও ই–মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। ই–মেইল ঠিকানা এবং ফোন নম্বর অন্যরা জানলেও সমস্যা নেই, তবে পাসওয়ার্ড অবশ্যই গোপন রাখতে হবে। কখনোই কোনো প্রয়োজন বা প্রলোভনে পড়ে কাউকে পাসওয়ার্ড জানানো যাবে না।

পাসওয়ার্ডে এমন কোনো শব্দ বা সংখ্যা ব্যবহার করা উচিত নয়, যেটা সহজেই অন্য কেউ অনুমান করতে পারবে। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, নিজের মা–বাবা বা প্রিয়জনের নাম, জন্মতারিখ বাসার ঠিকানা বা এলাকার নাম মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আপনাকে যাঁরা চেনেন, তাঁদের পক্ষে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করা কঠিন নয়। হয়তো তাঁরা আগে থেকেই জানেন, তাই এমন তথ্য কখনোই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

দুই স্তরের নিশ্চিতকরণ: টু স্টেপ বা দুই ধাপে লগইন পদ্ধতি বেছে নিয়ে আরও নিরাপদে ফেসবুক ব্যবহার করা যায়। প্রত্যেকেরই উচিত নিজের অ্যাকাউন্টে স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করা। ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করা হলে আপনার মুঠোফোনে একটি সাংকেতিক এসএমএস আসবে এবং মোবাইলে থাকলে সেখানে নোটিফিকেশন দেখা যাবে। এসএমএস কোড অ্যাপ থেকে নিশ্চিত করা হলেই কেবল লগইন করা যাবে।

একই অ্যাকাউন্ট থেকে পেজ ম্যানেজ করা: ফেসবুক পেজ তৈরি করার সময় একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেই অ্যাকাউন্টে একাধিক মানুষ পেজ হালনাগাদের কাজ করেন অনেক সময়। এটি সম্পূর্ণ ভুল পদ্ধতি। কারণ, এ ক্ষেত্রে একাধিক মানুষ একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করায় পাসওয়ার্ড ভাগাভাগি করতে হচ্ছে। আবার সব হালনাগাদ একই অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার ফলে কে পোস্ট দিচ্ছেন, তা জানা যাচ্ছে না।

ফেসবুকে গেম বা কুইজ থেকে সাবধান: কে আপনাকে ভালোবাসে, ভবিষ্যতে আপনি কোন পেশায় যাবেন, আপনার পরবর্তী ভ্রমণের জায়গা কোনটি হবে ইত্যাদিসহ নানা ধরনের মজার কুইজ বা গেম ফেসবুকে দেখা যায়। এগুলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এসব গেম খেলার সময় বলা হয়, আপনার ব্যক্তিগত প্রশ্নগুলোর ওপর ভিত্তি করে ফলাফল দেখানো হবে। আর তখনই আপনার প্রোফাইলের তথ্যগুলো সেই গেম বা কুইজ নির্মাতারা নিয়ে নেয়।

নিয়মিত চেকআপ: ফেসবুকের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের কোনগুলো কেন প্রয়োজন, তা ফেসবুকের একটি পেজ থেকে যাচাই করা ভালো। facebook.com/privacy/checkup হলো সেই পেজ। এই পেজ থেকে নিজের প্রোফাইলের নিরাপত্তার অবস্থা দেখা যায়।

অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা

ফেসবুকের পর ইনস্টাগ্রাম দেশে বেশি ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ইনস্টাগ্রামের প্রোফাইলে বেশ কিছু প্রাইভেসি সেটিংস রয়েছে। ফেসবুকে আলাদাভাবে প্রতিটি পোস্টের জন্য প্রাইভেসি নির্ধারণ করা গেলেও ইনস্টাগ্রামে সেই সুযোগ নেই। তবে অ্যাকাউন্টটি প্রাইভেট হিসেবে করে রাখা যেতে পারে, যেখানে কেবল অনুসারী হিসেবে যুক্তরাই আপনার ছবি, ভিডিও দেখতে পারবে।

ইনস্টাগ্রামে মন্তব্যের সুবিধা বন্ধ রাখা: পোস্টে কোনো মন্তব্য করা হলে সেটি আলাদাভাবে মুছে ফেলার (ডিলিট) ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এমন যদি হয়, একটি পোস্টে কোনো মন্তব্যই চাচ্ছেন না, সে ক্ষেত্রে পোস্ট করার আগে অ্যাডভান্স সেটিংস থেকে মন্তব্য বা কমেন্টস বন্ধ করে রাখতে পারেন।

রিপোর্ট করা

ইনস্টাগ্রামে কী ধরনের পোস্ট দেওয়া যাবে, সে বিষয়ে নীতিমালা রয়েছে। আপত্তিকর বা অপমানজনক কোনো পোস্ট দেখলে রিপোর্ট করার ব্যবস্থা রয়েছে। সত্য প্রমাণিত হলে ইনস্টাগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলবে। এর ওয়েব ঠিকানা

মেসেঞ্জার

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে দেয়। মেসেঞ্জারের জন্য আলাদা নীতিমালা না থাকলেও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নীতিমালা রয়েছে। মেসেঞ্জার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের চেয়ে বাড়তি কিছু সতর্কতা প্রয়োজন।

মেসেঞ্জারের লিংক থেকে সাবধান

বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার বা প্রতিযোগিতায় বিজয়ের সুযোগ এসেছে, এমন প্রলোভন দেখিয়ে মেসেঞ্জারে তথ্য নেওয়া হয়। ফলে সাবধান।

মেসেঞ্জার কিডস

ফেসবুক ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর। এর চেয়ে কম বয়সী কারও আইনত ব্যবহারের অনুমতি নেই। আপনি চাইলে আপনার সন্তানের জন্য সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার কিডস ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপে আলাদাভাবে নিবন্ধন করার সুযোগ নেই, বরং অভিভাবকেরা তাঁর সন্তানের জন্য অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় করতে পারেন। মেসেঞ্জার কিডস অ্যাপ থেকে অপর মেসেঞ্জার কিডস বা সাধারণ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। মেসেঞ্জার অ্যাপস থেকে কী কী লিংক শেয়ার করা হচ্ছে এবং কার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে, তার একটি প্রতিবেদন অভিভাবকদের প্রতি সপ্তাহে পাঠানো হয়।

ই–মেইল অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা টুইটারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ই–মেইল ঠিকানা প্রায় বাধ্যতামূলক। তাই ই–মেইল নিয়মিত ব্যবহার না করলেও ই–মেইল অ্যাকাউন্ট সবারই হয়েছে বলা যেতে পারে। ই–মেইল অন্য অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকে বলেই এর নিরাপত্তায় বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ই–মেইল

কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কোন ই–মেইল ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি নিশ্চিতভাবে জানা প্রয়োজন। সেই অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে কি না কিংবা টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু আছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যে ই–মেইল ব্যবহার করা হয়েছে, মূল অ্যাকাউন্টের মতো সেটিরও নিরাপত্তা জরুরি।

ফিশিং লিংক

পরিচিত কোনো ওয়েবসাইট ঠিকানার মতো দেখতে কিন্তু ক্ষতিকর—এসবই ফিশিং লিংক। হয়তো ফেসবুকে ফেসবুক বা জিমেইলের ঠিকানার মতো কোনো একটি লিংক ই–মেইল বা মেসেঞ্জারে আসতে পারে। সেটি খোলা হলে হয়তো ফেসবুক বা গুগলের লগইন পৃষ্ঠার মতো একটি পৃষ্ঠা দেখা যাবে। কিন্তু সেখানে ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড লেখা হলে অ্যাকাউন্টে লগইন না হয়ে অন্য কোনো ঠিকানায় তথ্য জমা হতে থাকবে। পরবর্তী সময়ে এই ইউজারনেম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অন্য কেউ আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রক হতে পারে। তাই কোনো লিংক খোলার আগে তা দেখে নেওয়া জরুরি।

লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখা

নির্দিষ্ট অ্যাপে প্রয়োজনের সময় ছাড়া ফোনের, আদতে আপনার অবস্থান শেয়ার করার সুবিধাটি বন্ধ রাখতে হবে। লোকেশন শেয়ার চালু থাকলে অন্যরা জানতে পারবে আপনি কখন কোন এলাকায় থাকছেন।

অনলাইনে কেনাকাটা

অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ছাড়া কোথাও থেকে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে কেনাকাটা এড়িয়ে চলতে হবে।

আর্থিক লেনদেন

অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটি পাওয়া যায়, তা হলো পরিচিত কারও কাছে আর্থিক সহায়তা চাওয়া। এমন কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলে, যিনি সাহায্য চাচ্ছেন, তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করা বা ফোনে যোগাযোগ করে আগে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

অন্য যন্ত্র থেকে লগইন

অপরের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্য কোনো যন্ত্রে লগইন করা থাকলে পাসওয়ার্ড না জানলেও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা সম্ভব।

প্রযুক্তির এ যুগে স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ছাড়া দিন পার করা কঠিনই বটে। করোনাকালের পর ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরশীলতা অনেক বেড়েছে। বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে ইন্টারনেট। আর তাই আমাদের দৈনিক ইন্টারনেট ব্যবহারের একটি বড় অংশজুড়েই রয়েছে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন না হলে এসব সাইটে বড় ধরনের সাইবার হামলার কবলে পড়তে হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন সাইটে নিরাপদে থাকার কৌশলগুলো জেনে নেওয়া যাক।

ফেসবুক

ফেসবুক ব্যবহার করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া এখন কঠিনই। ফেসবুকে অনেকেই নিয়মিত ব্যক্তিগত তথ্য ও ছবি প্রকাশ (পোস্ট) করেন। এতে পরিচিতদের পাশাপাশি অপরিচিতরাও ব্যক্তিগত তথ্য জেনে যান। সাইবার অপরাধীরা চাইলেই ছবি বা তথ্যগুলো কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলা চালাতে পারে। ফেসবুকে নিরাপদ থাকতে নিচের বিষয়গুলো জানতে হবে।

বন্ধু তালিকার সবাই কি পরিচিত: ফেসবুকের বন্ধু তালিকায় যাঁরা আছেন, তাঁদের সবাইকে কি ব্যক্তিগতভাবে চেনেন? একেবারেই অপরিচিত কেউ আছে কি না, সেটা যাচাই করা প্রয়োজন। নতুন বন্ধু বানানোর আগে অবশ্যই সেই ব্যক্তির প্রোফাইল দেখে বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা উচিত। প্রোফাইলের ছবি এবং অন্যান্য তথ্য দেখে যদি নির্ভরযোগ্য মনে হয়, তবেই তাকে বন্ধু তালিকায় জায়গা দেওয়া উচিত।

প্রাইভেসি সেটিংস নির্ধারণ: ফেসবুক প্রোফাইল থেকে দেওয়া তথ্যগুলো কারা দেখতে পারবে, ফেসবুক সার্চ অপশনে নাম বা কোনো তথ্য দেখা যাবে কি না, কেউ বন্ধুত্বের অনুরোধ পাঠাতে পারবে কি না, তা প্রাইভেসি সেটিংসের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি ফেসবুকে পোস্ট করার আগে সেটি কারা দেখতে পারবে, তা–ও নির্বাচন করতে হবে। এতে অবাঞ্ছিত ব্যক্তিরা আপনার তথ্য ও ছবি দেখতে পারবে না।

পাসওয়ার্ডে সচেতনতা: অ্যাকাউন্টে লগইন করার জন্য ফোন নম্বর ও ই–মেইল ঠিকানা এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হয়। ই–মেইল ঠিকানা এবং ফোন নম্বর অন্যরা জানলেও সমস্যা নেই, তবে পাসওয়ার্ড অবশ্যই গোপন রাখতে হবে। কখনোই কোনো প্রয়োজন বা প্রলোভনে পড়ে কাউকে পাসওয়ার্ড জানানো যাবে না।

পাসওয়ার্ডে এমন কোনো শব্দ বা সংখ্যা ব্যবহার করা উচিত নয়, যেটা সহজেই অন্য কেউ অনুমান করতে পারবে। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, নিজের মা–বাবা বা প্রিয়জনের নাম, জন্মতারিখ বাসার ঠিকানা বা এলাকার নাম মানুষ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। আপনাকে যাঁরা চেনেন, তাঁদের পক্ষে এই তথ্যগুলো সংগ্রহ করা কঠিন নয়। হয়তো তাঁরা আগে থেকেই জানেন, তাই এমন তথ্য কখনোই পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

দুই স্তরের নিশ্চিতকরণ: টু স্টেপ বা দুই ধাপে লগইন পদ্ধতি বেছে নিয়ে আরও নিরাপদে ফেসবুক ব্যবহার করা যায়। প্রত্যেকেরই উচিত নিজের অ্যাকাউন্টে স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করা। ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার চেষ্টা করা হলে আপনার মুঠোফোনে একটি সাংকেতিক এসএমএস আসবে এবং মোবাইলে থাকলে সেখানে নোটিফিকেশন দেখা যাবে। এসএমএস কোড অ্যাপ থেকে নিশ্চিত করা হলেই কেবল লগইন করা যাবে।

একই অ্যাকাউন্ট থেকে পেজ ম্যানেজ করা: ফেসবুক পেজ তৈরি করার সময় একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেই অ্যাকাউন্টে একাধিক মানুষ পেজ হালনাগাদের কাজ করেন অনেক সময়। এটি সম্পূর্ণ ভুল পদ্ধতি। কারণ, এ ক্ষেত্রে একাধিক মানুষ একটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করায় পাসওয়ার্ড ভাগাভাগি করতে হচ্ছে। আবার সব হালনাগাদ একই অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করার ফলে কে পোস্ট দিচ্ছেন, তা জানা যাচ্ছে না।

ফেসবুকে গেম বা কুইজ থেকে সাবধান: কে আপনাকে ভালোবাসে, ভবিষ্যতে আপনি কোন পেশায় যাবেন, আপনার পরবর্তী ভ্রমণের জায়গা কোনটি হবে ইত্যাদিসহ নানা ধরনের মজার কুইজ বা গেম ফেসবুকে দেখা যায়। এগুলো ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এসব গেম খেলার সময় বলা হয়, আপনার ব্যক্তিগত প্রশ্নগুলোর ওপর ভিত্তি করে ফলাফল দেখানো হবে। আর তখনই আপনার প্রোফাইলের তথ্যগুলো সেই গেম বা কুইজ নির্মাতারা নিয়ে নেয়।

নিয়মিত চেকআপ: ফেসবুকের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের কোনগুলো কেন প্রয়োজন, তা ফেসবুকের একটি পেজ থেকে যাচাই করা ভালো। facebook.com/privacy/checkup হলো সেই পেজ। এই পেজ থেকে নিজের প্রোফাইলের নিরাপত্তার অবস্থা দেখা যায়।

অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা

ফেসবুকের পর ইনস্টাগ্রাম দেশে বেশি ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ইনস্টাগ্রামের প্রোফাইলে বেশ কিছু প্রাইভেসি সেটিংস রয়েছে। ফেসবুকে আলাদাভাবে প্রতিটি পোস্টের জন্য প্রাইভেসি নির্ধারণ করা গেলেও ইনস্টাগ্রামে সেই সুযোগ নেই। তবে অ্যাকাউন্টটি প্রাইভেট হিসেবে করে রাখা যেতে পারে, যেখানে কেবল অনুসারী হিসেবে যুক্তরাই আপনার ছবি, ভিডিও দেখতে পারবে।

ইনস্টাগ্রামে মন্তব্যের সুবিধা বন্ধ রাখা: পোস্টে কোনো মন্তব্য করা হলে সেটি আলাদাভাবে মুছে ফেলার (ডিলিট) ব্যবস্থা রয়েছে। তবে এমন যদি হয়, একটি পোস্টে কোনো মন্তব্যই চাচ্ছেন না, সে ক্ষেত্রে পোস্ট করার আগে অ্যাডভান্স সেটিংস থেকে মন্তব্য বা কমেন্টস বন্ধ করে রাখতে পারেন।

রিপোর্ট করা

ইনস্টাগ্রামে কী ধরনের পোস্ট দেওয়া যাবে, সে বিষয়ে নীতিমালা রয়েছে। আপত্তিকর বা অপমানজনক কোনো পোস্ট দেখলে রিপোর্ট করার ব্যবস্থা রয়েছে। সত্য প্রমাণিত হলে ইনস্টাগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই পোস্টটি সরিয়ে ফেলবে। এর ওয়েব ঠিকানা

মেসেঞ্জার

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে দেয়। মেসেঞ্জারের জন্য আলাদা নীতিমালা না থাকলেও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের নীতিমালা রয়েছে। মেসেঞ্জার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফেসবুকের চেয়ে বাড়তি কিছু সতর্কতা প্রয়োজন।

মেসেঞ্জারের লিংক থেকে সাবধান

বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার বা প্রতিযোগিতায় বিজয়ের সুযোগ এসেছে, এমন প্রলোভন দেখিয়ে মেসেঞ্জারে তথ্য নেওয়া হয়। ফলে সাবধান।

মেসেঞ্জার কিডস

ফেসবুক ব্যবহারের ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর। এর চেয়ে কম বয়সী কারও আইনত ব্যবহারের অনুমতি নেই। আপনি চাইলে আপনার সন্তানের জন্য সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মেসেঞ্জার কিডস ব্যবহার করতে পারেন। এই অ্যাপে আলাদাভাবে নিবন্ধন করার সুযোগ নেই, বরং অভিভাবকেরা তাঁর সন্তানের জন্য অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় করতে পারেন। মেসেঞ্জার কিডস অ্যাপ থেকে অপর মেসেঞ্জার কিডস বা সাধারণ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। মেসেঞ্জার অ্যাপস থেকে কী কী লিংক শেয়ার করা হচ্ছে এবং কার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে, তার একটি প্রতিবেদন অভিভাবকদের প্রতি সপ্তাহে পাঠানো হয়।

ই–মেইল অ্যাকাউন্ট

ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক বা টুইটারে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ই–মেইল ঠিকানা প্রায় বাধ্যতামূলক। তাই ই–মেইল নিয়মিত ব্যবহার না করলেও ই–মেইল অ্যাকাউন্ট সবারই হয়েছে বলা যেতে পারে। ই–মেইল অন্য অ্যাকাউন্টগুলোর সঙ্গে যুক্ত থাকে বলেই এর নিরাপত্তায় বেশি সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ই–মেইল

কোন অনলাইন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে কোন ই–মেইল ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি নিশ্চিতভাবে জানা প্রয়োজন। সেই অ্যাকাউন্টের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে কি না কিংবা টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু আছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন। অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যে ই–মেইল ব্যবহার করা হয়েছে, মূল অ্যাকাউন্টের মতো সেটিরও নিরাপত্তা জরুরি।

ফিশিং লিংক

পরিচিত কোনো ওয়েবসাইট ঠিকানার মতো দেখতে কিন্তু ক্ষতিকর—এসবই ফিশিং লিংক। হয়তো ফেসবুকে ফেসবুক বা জিমেইলের ঠিকানার মতো কোনো একটি লিংক ই–মেইল বা মেসেঞ্জারে আসতে পারে। সেটি খোলা হলে হয়তো ফেসবুক বা গুগলের লগইন পৃষ্ঠার মতো একটি পৃষ্ঠা দেখা যাবে। কিন্তু সেখানে ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড লেখা হলে অ্যাকাউন্টে লগইন না হয়ে অন্য কোনো ঠিকানায় তথ্য জমা হতে থাকবে। পরবর্তী সময়ে এই ইউজারনেম পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অন্য কেউ আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রক হতে পারে। তাই কোনো লিংক খোলার আগে তা দেখে নেওয়া জরুরি।

লোকেশন সার্ভিস বন্ধ রাখা

নির্দিষ্ট অ্যাপে প্রয়োজনের সময় ছাড়া ফোনের, আদতে আপনার অবস্থান শেয়ার করার সুবিধাটি বন্ধ রাখতে হবে। লোকেশন শেয়ার চালু থাকলে অন্যরা জানতে পারবে আপনি কখন কোন এলাকায় থাকছেন।

অনলাইনে কেনাকাটা

অনলাইন কেনাকাটার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ছাড়া কোথাও থেকে কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে কেনাকাটা এড়িয়ে চলতে হবে।

আর্থিক লেনদেন

অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়ে গেলে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগটি পাওয়া যায়, তা হলো পরিচিত কারও কাছে আর্থিক সহায়তা চাওয়া। এমন কোনো অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলে, যিনি সাহায্য চাচ্ছেন, তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করা বা ফোনে যোগাযোগ করে আগে নিশ্চিত হওয়া উচিত।

অন্য যন্ত্র থেকে লগইন

অপরের মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্য কোনো যন্ত্রে লগইন করা থাকলে পাসওয়ার্ড না জানলেও পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা সম্ভব।

পূর্বের সংবাদ

মা-বাবাদের সেবায় অনলাইন উদ্যোগ

পরের সংবাদ

এইচএসসির ফরম পূরণের সময় আবার বাড়ল

Deshbangla Pratidin

Deshbangla Pratidin

Test biogaphy

এই বিষয়ের আরও সংবাদ পড়ুন

গুগলে নতুন সুরক্ষা: রিকভারিতে বন্ধু-পরিবার যুক্ত করা যাবে
Tech

গুগলে নতুন সুরক্ষা: রিকভারিতে বন্ধু-পরিবার যুক্ত করা যাবে

October 16, 2025
4
ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও অরেঞ্জ কর্নারস বাংলাদেশ-এর ‘ইকোসিস্টেম ইন অ্যাকশন’ আয়োজন
অর্থ ও বাণিজ্য

ইউনিলিভার বাংলাদেশ ও অরেঞ্জ কর্নারস বাংলাদেশ-এর ‘ইকোসিস্টেম ইন অ্যাকশন’ আয়োজন

June 25, 2025
2
বিক্রয় চালু করলো হোয়াটসঅ্যাপ অপশন ক্রয়-বিক্রয় এখন আরও সহজ ও দ্রুত
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিক্রয় চালু করলো হোয়াটসঅ্যাপ অপশন ক্রয়-বিক্রয় এখন আরও সহজ ও দ্রুত

June 2, 2025
7
নজর কাড়ছে আইটেল পাওয়ার ৭০
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

নজর কাড়ছে আইটেল পাওয়ার ৭০

March 24, 2025
0
ফেসবুকের বিরুদ্ধে তথ্য চুরি ও দুর্নীতির অভিযোগ!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ফেসবুকের বিরুদ্ধে তথ্য চুরি ও দুর্নীতির অভিযোগ!

March 21, 2025
0
ফেসবুক স্টোরি থেকে মিলবে অর্থ উপার্জন
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ফেসবুক স্টোরি থেকে মিলবে অর্থ উপার্জন

March 20, 2025
0
পরের সংবাদ
এইচএসসির ফরম পূরণের সময় আবার বাড়ল

এইচএসসির ফরম পূরণের সময় আবার বাড়ল

এইচএসসির ফরম পূরণের সময় আবার বাড়ল

পরীক্ষার বাকি ১৫ দিন: যা করণীয়

এই post বিষয়ে আলোচনা করুন

Stay Connected test

  • 23.9k Followers
  • 99 Subscribers
  • জনপ্রিয়
  • মন্তব্যসমূহ
  • সর্বশেষ
ধর্মপাশায় বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষ থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ধর্মপাশায় বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষ থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

September 23, 2025
গাইবান্ধা এন এইচ মডান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম এর বিরুদ্ধে অনিয়মের লিখিত অভিযোগ দায়ের

গাইবান্ধা এন এইচ মডান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম এর বিরুদ্ধে অনিয়মের লিখিত অভিযোগ দায়ের

October 21, 2025

দেশের বাজারে নতুন গেমিং ল্যাপটপ

September 22, 2025
নেত্রকোণায় তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে ফুটবল প্রতিযোগিতায় নেত্রকোণা জেলা দল বিজয়ী

নেত্রকোণায় তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে ফুটবল প্রতিযোগিতায় নেত্রকোণা জেলা দল বিজয়ী

September 17, 2025
নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

0
১১ দলীয় জোট নির্বাচনে বিজয়ী হলে দেশে গুণগত পরিবর্তন হবে

১১ দলীয় জোট নির্বাচনে বিজয়ী হলে দেশে গুণগত পরিবর্তন হবে

0
রংপুরে হোটেল তাওহীদ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারের উদ্বোধন 

রংপুরে হোটেল তাওহীদ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারের উদ্বোধন 

0
বাহুবলে অবৈধ করাত কলের বিরুদ্ধে অভিযান

বাহুবলে অবৈধ করাত কলের বিরুদ্ধে অভিযান

0
নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

February 4, 2026
চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় ডা. তাহের

চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় ডা. তাহের

February 4, 2026
মধ্যনগরে থানা পুলিশের অভিযানে ১,৯৬০ পিস ইয়াবা জব্দ, মাদক কারবারি গ্রেফতার।

মধ্যনগরে থানা পুলিশের অভিযানে ১,৯৬০ পিস ইয়াবা জব্দ, মাদক কারবারি গ্রেফতার।

February 4, 2026
‎কোরআন–সুন্নাহ ছাড়া দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত

‎কোরআন–সুন্নাহ ছাড়া দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত

February 4, 2026

Recent News

নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

February 4, 2026
16
চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় ডা. তাহের

চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় ডা. তাহের

February 4, 2026
1
মধ্যনগরে থানা পুলিশের অভিযানে ১,৯৬০ পিস ইয়াবা জব্দ, মাদক কারবারি গ্রেফতার।

মধ্যনগরে থানা পুলিশের অভিযানে ১,৯৬০ পিস ইয়াবা জব্দ, মাদক কারবারি গ্রেফতার।

February 4, 2026
12
‎কোরআন–সুন্নাহ ছাড়া দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত

‎কোরআন–সুন্নাহ ছাড়া দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়: মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিত

February 4, 2026
5
ঠিকানা:
বাড়ি ২২, দ্বিতীয় তলা, ব্লক এ,
দক্ষিণ বনশ্রী মেইন রোড,
খিলগাঁও, ঢাকা ১২১৯
ফোন:
+৮৮০১৯২৮৮৯৮৫৫৮
ইমেইল:
admin@deshbanglapratidin.com
editordeshbanglapratidin@gmail.com
newsalldbp@gmail.com
Image
এ.এম.সারোয়ার জাহান
প্রকাশক ও সম্পাদক

Follow Us

📰 News Archives

Recent News

নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

নওগাঁয় রাজস্ব কর্মকর্তা’র লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়েছে কারা

February 4, 2026
চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় ডা. তাহের

চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় ডা. তাহের

February 4, 2026
  • About
  • Advertise
  • Privacy & Policy
  • Contact

© 2025 Desh Bangla Protidin — Theme designed & developed by SA Shuvo Sheikh . All rights reserved.

কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি
সকল ফলাফল দেখুন
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিভাগীয় সংবাদ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • রংপুর
    • ময়মনসিংহ
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • সিলেট
  • শিক্ষা
  • অর্থ ও বাণিজ্য
  • অন্যান্য
    • বিনোদন
  • Login
  • Sign Up

© 2025 Desh Bangla Protidin — Theme designed & developed by SA Shuvo Sheikh . All rights reserved.

Welcome Back!

Sign In with Facebook
Sign In with Google
OR

Login to your account below

Forgotten Password? Sign Up

Create New Account!

Sign Up with Facebook
Sign Up with Google
OR

Fill the forms bellow to register

*By registering into our website, you agree to the Terms & Conditions and Privacy Policy.
All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
দেশ বাংলা প্রতিদিন ওয়েবসাইটটি আপনার ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য কুকি (cookies) ব্যবহার করে। এই নীতিমালায় আমরা ব্যাখ্যা করছি কীভাবে আমরা কুকি ব্যবহার করি, আপনি কীভাবে কুকি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, এবং আপনার গোপনীয়তা রক্ষায় আমাদের প্রতিশ্রুতি। Privacy and Cookie Policy.