
আকিকুর রহমান রুমন:-
ঢাকা থেকে নিহত বানিয়াচংয়ের নাজিরার লাশ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কুমিল্লায়।চট্টগ্রামে অগ্নিদগ্ধ হওয়া আহত পরিবারের ৩ জনের মধ্যে ঢাকা বার্ণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্বামী সন্তান রেখে স্ত্রী’র মৃত্যু।।৮)।শাহাঙ্গীর মিয়া তার বাড়ির পাশের মহল্লা ১নং উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের সর্দার হাঁটি মসজিদের পাশের বাড়িতে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেন।স্ত্রী সন্তান নিয়ে দীর্ঘ ৫/৬বছর ধরে চট্টগ্রাম বসবাস করে আসছিলেন তারা।২৫ আগষ্ট রাতের কোন এক সময় গ্যাস সিলেন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আগুনে পুড়ে সবাই আহত হন।স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।সেখান থেকে রাতেই তাদেরকে ঢাকা বার্ণ হাসপাতালে রেফার করা হয়।পরে চট্টগ্রাম থেকে শাহাঙ্গীর মিয়া(২৮)স্ত্রী নাজিরা বেগম(২৫) ও আড়াই বছরের শিশু পুত্রকে ঢাকা বার্ণ হাসপাতালে ভর্তী করা হয়।আহত শাহাঙ্গীরকে ৫ম তলা ও স্রী,সন্তানকে ২য় তলায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।দীর্ঘ সপ্তাহ খানেক মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করে ৩০আগষ্ট(শনিবার)স্বামী ও ৩ বছর বয়সী সন্তান সালমানকে রেখে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে নাজিরা বেগম(২৫)।বর্তমানে বাপ ছেলে ঢাকা বার্ণ হাসপাতালের ৫ম তলা ও ২য় তলায় মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করছে।অন্যদিকে নিহত শাহাঙ্গীরের স্ত্রীকে তার নানার বাড়ির উদ্যেশে হাসপাতাল থেকে কুমিল্লা নানার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পরিবারের লোকজন।সেখানে নিহত নাজিরার নানার বাড়িতেই দাফন কাফনের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন।এছাড়াও এই ঘটনার পর থেকে দেশ বিদেশ থেকে পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন ভাবে সাহায্য সহযোগীতার মাধ্যমে।এজন্য পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি বর্তমানে বাপ ছেলের পাশে থাকার জন্য সহযোগীতা চেয়েছেন তারা।




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন