
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই নজিরবিহীন এক প্রক্রিয়ায় দেশটির তরুণ প্রজন্ম অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। তারা প্রচলিত রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এড়িয়ে অনলাইন গেমিং অ্যাপ ডিসকোর্ড ব্যবহার করে ভার্চুয়াল আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছায়।তরুণদের সংগঠন ‘হামি নেপাল’ আয়োজিত “ইউথ এগেইনস্ট করাপশন” শিরোনামে দিনব্যাপী আলোচনার পর পাঁচজন প্রার্থীকে শর্টলিস্ট করা হয়—হারকা সাম্পাং, মহাবীর পুন, সাগর ঢাকাল, রাসত্র বিমোচন তিমলসিনা এবং সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি।শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার তুলনায় এই প্রক্রিয়া ছিল অনেক বেশি “সমতাভিত্তিক ও স্বচ্ছ”। এছাড়াও, আলোচনায় ভুল তথ্য প্রতিরোধে ফ্যাক্ট-চেকিং রুমও রাখা হয়েছিল।তবে সমালোচকরা বলছেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ভোট প্রক্রিয়ায় ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা হস্তক্ষেপের ঝুঁকি থেকে যায়। এছাড়া বাস্তব শাসন ও নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।নেপালের তরুণরা মনে করছেন, দুর্নীতি ও অকার্যকর রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে এটি গণতন্ত্র চর্চার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন