
তালুকদার মোঃ মাস্উদ /বরগুনা জেলা প্রতিনিধি/
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বুড়া মজুমদার ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির টাকা হরিলুট করেছে ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বর এবং পিআইও অফিস । দক্ষিণ করুণা গ্রামের আনসার আলী ও সোহরাপ বয়াতি অভিযোগ করে বলেন আমাদের নাম আছে অনেক দিন আগে কুরুনা পরিষদ ভবনের ২য় তলায় বসিয়া আমাদের নামে মোবাইল সিম ক্রয় করিয়া নগদ বিকাশ করাইয়া চেয়ারম্যান সিম রেখে দেয়। শুনছি খাল কাটতে বেকু আনছে সই বেকু দিয়া রাস্তার কাজ করাইছে, আমাদের ভাগ্যে কাজ জোটে নাই। ভাই আপনাদের কাছে সাক্ষাৎকার দিলাম এলাকায় থাকতে পারি না পারি সন্দেহ । তারপরেও আমার নামে যে টাকা আসছে সেই টাকার কাজ করে আমি সিম সহ নিতে চাই। সরকার আমাদের অতি দরিদ্র মানুষের জন্য সহযোগীতা করতে চায় কিন্তু তা খেয়ে ফেলে চাটার দল মেম্বার চেয়ারম্যানরা। ৪০দিনের কর্মসূচি লেবারের নামের সিমে বিকাশ থাকলেও সে সিমগুলো জমা রয়েছে সিপিসি ও চেয়ারম্যান দের কাছে। শনিবার ( ৮ জুলাই) বুড়ামজুমদার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম রব শুক্কুর মিয়া বলেন কতো সাংবাদিক আইলো আর গেলো কিছুই হইল না। তিনি বলেন লেবার তালিকা খোজাখুজি করে কি লাভ কাজ করাইছি বেকু দিয়া। টিউবওয়েল দেয়ার কখা বলে ১০ হাজার টাকা করে নেয়ার বিষয় তিনি বলের এ গুলো মিথ্যা কথা।
ইউনিয়ন পরিষদ সচিব সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন ভাই অনেক বিপদে আছি এখান থেকে যাওয়ার জন্য আবেদন করছি বরগুনা জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর বদলি হলেই চলে যাবো। আমাকে চেয়ারম্যানের কোন কাজে লাগে না। ইউনিয়ন পরিষদ সচিব বা তথ্য সেবা কেন্দ্রের পরিচালক দিয়ে কম্পিউটার কম্পোজের কাজ করানোর কথা থাকলেও কিন্তু করে চেয়ারম্যানের ভাইপো বাড়ি বসে। কি কাজ আসে, কি কাজ করে তা আমার জানা নাই।
সিপিসি ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সঞ্জয় কুমার মন্ডল বলেন লেবার আমি চিন না পিআইও অফিস থেকে তালিকা নিয়ে খুজে নেন। আমি প্রকল্প কাজ করাইছি ড্রেজার দিয়া।
এ বিষয় বেতাগী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পিআইও মোঃ অলিউল্লাহ বলেন আমার কাছে কেউ অভিযোগ করেনি অভিযোগ করলে প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন