
শাহিন মিয়া, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের টিসিবির কার্ডধারীদের কাছ থেকে ইউনিয়ন ট্যাক্স রেট বিবিধ রশিদ ছাড়া কার্ড প্রদান করছেন না ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃৃক পক্ষ। অনেক কার্ডধারী ব্যক্তির নামও উঠেনি অনলাইনে। এ নিয়ে সাধাণ কার্ডধারীদের মনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জমে উঠে।
জানা গেছে, ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদে গত ১৫ জানুয়ারি টিসিবির কার্ড বিতরণ করা হয়। বিতরণে কার্ডধারীদের কাছ থেকে ট্যাক্স রেট বিবিধ রশিদ ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। প্রতি বছর কার্ড প্রতি ২২০ টাকা বা ৩ বছর হলে ৬৬০ টাকা দিতে হবে। নয়তো কার্ড পাচ্ছেন না টিসিবি ভোগীগণ।
টিসিবিভোগী লিটন মিয়া জানান, আমার টিসিবির কার্ড আছে, আমি কেন ২২০ টাকা দিয়ে এই কার্ড নিব। তবে এটা বাৎসরিক কর, এ মুহুর্তে আমার এটা দেয়া সম্ভব নয়।
কার্ডধারী নার্গিস আক্তার বলেন, আমার দুটা কার্ড ছিল একটা আমার মায়ের, আর একটা আমার। কার্ড নিতে এসে টাকা ছাড়া কার্ড দিচ্ছে না, আমার কোন জমিজমা নেই, ঘরে টাকাও নেই। আমি কিভাবে ৬ শত টাকার কর ট্যাক্স দিব। এটা কোন আইনে আছে।
কার্ডধারী সাবানা বলেন, ভালো, কিন্তু এভাবে যদি টাকা দিতে হয়, তা মেনে নিব না। আমি ইউনিয়ন পরিষদের ট্যাক্স দিব কি না আমার একান্ত বিষয়।
ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কিছু দিন আগে টিসিবির সংধোনী ৪৩০ নাম আসছিল। সেখানে চেয়ারম্যান গোপনীয়ভাবে রাতের আধারে সচিবের মাধ্যমে একাই দেয়, সেইদিন থেকে আমার সাথে তার দ্বন্দ্ব। ইউনিয়ন পরিষদে ঢুকতে দেয় না, গরীব মানুষের কিসের ট্যাক্স, তারা তো দিন মজুর, খেতে পায় না তিন বেলা, এভাবে টিসিবির কার্ড দিতে যদি কর ট্যাক্স নেয়, তাহলে কার্ডধারী ব্যক্তিরা বিপদে পরবে। কারণ সবার কাছে তো টাকা সব সময় থাকে না। আমরা প্রশাসনের আইনগত ব্যবস্থা চাই।
ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শিপন বলেন, টিসিবির কার্ড নিতে হলে কর ট্যাক্স দিতে হবে। আমি অনুমতি নিয়ে কর ট্যাক্স নিচ্ছি। নিয়মের বাহিরে আমি যাচিছ না। তাছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে কয়েকদিন আগে মাইকিং করা হয়েছে।
সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কোনভাবেই কার্ডের জন্য টাকা নিতে পারে না।




















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন