
এ প্রতারণার সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও এএইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত আমতলী বাজারে পদ্মা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক চিকিৎসকের নামে প্রচার-প্রচারণা ও মাইকিং করা হলেও বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসক দিয়ে রোগী দেখানো হচ্ছে। এমন অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সুব্রত সাহা নামের একজন চিকিৎসকের তৈরি প্যাডে একেকদিন একেকজন নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছেন। ডা. সুব্রত সাহা সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখে এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। কিন্তু অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, চিকিৎসক সুব্রত সাহার প্যাড ব্যবহার করে ২৫ আগস্ট এবং আজ ভিন্ন নামের দুজন চিকিৎসক রোগী দেখছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগী সেজে আমি ডা. সুব্রত সাহাকে ফোন দিলে জানান, তিনি সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখের পর আর বিজয়নগরে রোগী দেখেননি। এতে প্রমাণিত হয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ডা. সুব্রত সাহা নামে মানুষের কাছে অন্যায়ভাবে উপস্থাপন এবং তাদের প্রতারিত করেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক খুরশিদ আলম নিজের প্রতিষ্ঠানের এ অপরাধ স্বীকার করেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমনটি হবে না মর্মে লিখিতভাবে জানান।
অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুম, বিজয়নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিএম কাদেরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন

এ প্রতারণার সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও এএইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত আমতলী বাজারে পদ্মা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক চিকিৎসকের নামে প্রচার-প্রচারণা ও মাইকিং করা হলেও বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসক দিয়ে রোগী দেখানো হচ্ছে। এমন অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সুব্রত সাহা নামের একজন চিকিৎসকের তৈরি প্যাডে একেকদিন একেকজন নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছেন। ডা. সুব্রত সাহা সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখে এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। কিন্তু অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, চিকিৎসক সুব্রত সাহার প্যাড ব্যবহার করে ২৫ আগস্ট এবং আজ ভিন্ন নামের দুজন চিকিৎসক রোগী দেখছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগী সেজে আমি ডা. সুব্রত সাহাকে ফোন দিলে জানান, তিনি সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখের পর আর বিজয়নগরে রোগী দেখেননি। এতে প্রমাণিত হয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ডা. সুব্রত সাহা নামে মানুষের কাছে অন্যায়ভাবে উপস্থাপন এবং তাদের প্রতারিত করেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক খুরশিদ আলম নিজের প্রতিষ্ঠানের এ অপরাধ স্বীকার করেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমনটি হবে না মর্মে লিখিতভাবে জানান।
অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুম, বিজয়নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিএম কাদেরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন

এ প্রতারণার সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও এএইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত আমতলী বাজারে পদ্মা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক চিকিৎসকের নামে প্রচার-প্রচারণা ও মাইকিং করা হলেও বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসক দিয়ে রোগী দেখানো হচ্ছে। এমন অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সুব্রত সাহা নামের একজন চিকিৎসকের তৈরি প্যাডে একেকদিন একেকজন নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছেন। ডা. সুব্রত সাহা সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখে এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। কিন্তু অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, চিকিৎসক সুব্রত সাহার প্যাড ব্যবহার করে ২৫ আগস্ট এবং আজ ভিন্ন নামের দুজন চিকিৎসক রোগী দেখছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগী সেজে আমি ডা. সুব্রত সাহাকে ফোন দিলে জানান, তিনি সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখের পর আর বিজয়নগরে রোগী দেখেননি। এতে প্রমাণিত হয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ডা. সুব্রত সাহা নামে মানুষের কাছে অন্যায়ভাবে উপস্থাপন এবং তাদের প্রতারিত করেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক খুরশিদ আলম নিজের প্রতিষ্ঠানের এ অপরাধ স্বীকার করেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমনটি হবে না মর্মে লিখিতভাবে জানান।
অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুম, বিজয়নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিএম কাদেরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন

এ প্রতারণার সত্যতা পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও এএইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্গত আমতলী বাজারে পদ্মা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক চিকিৎসকের নামে প্রচার-প্রচারণা ও মাইকিং করা হলেও বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসক দিয়ে রোগী দেখানো হচ্ছে। এমন অভিযোগ পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সুব্রত সাহা নামের একজন চিকিৎসকের তৈরি প্যাডে একেকদিন একেকজন নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখছেন। ডা. সুব্রত সাহা সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখে এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন। কিন্তু অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়, চিকিৎসক সুব্রত সাহার প্যাড ব্যবহার করে ২৫ আগস্ট এবং আজ ভিন্ন নামের দুজন চিকিৎসক রোগী দেখছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, নিশ্চিত হওয়ার জন্য রোগী সেজে আমি ডা. সুব্রত সাহাকে ফোন দিলে জানান, তিনি সবশেষ ১৮ আগস্ট তারিখের পর আর বিজয়নগরে রোগী দেখেননি। এতে প্রমাণিত হয়, ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ডা. সুব্রত সাহা নামে মানুষের কাছে অন্যায়ভাবে উপস্থাপন এবং তাদের প্রতারিত করেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক খুরশিদ আলম নিজের প্রতিষ্ঠানের এ অপরাধ স্বীকার করেন। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে এমনটি হবে না মর্মে লিখিতভাবে জানান।
অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাসুম, বিজয়নগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জিএম কাদেরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন










এই post বিষয়ে আলোচনা করুন