
শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, সিনিয়র রিপোর্টারঃ
নওগাঁ জেলা স্টেডিয়াম মাঠ দীর্ঘদিন বল গড়ায়নি।ব্যাটে বলের সংযোগ থেকেও বঞ্চিত ছিলেন ক্রিকেট প্রেমীরা।ফুটবল-ক্রীকেটের পাশাপাশি জেলায় ভলিবল ও টেনিসের অর্জন অনেক। কিন্তু সব যেন স্থবির হয়ে পড়েছিলো।যুব সমাজের হতাশা আর আঁধার ভেঙ্গে ক্রীড়াঙ্গনে আলো পড়ে ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে।হঠাৎই যেন ঝলসে উঠলো জেলার মাঠগুলো। ব্যস্ত হয়ে পরেন খেলোয়াড়রা।ক্রীড়া সংস্থার অচলায়তন ভেঙ্গে গতি পায়। সঠিক দিকনির্দেশনা ও যোগ্য নেতৃত্বে মাঠের সোঁনালী দিন ফিরতে শুরু করে।একের পর এক পরিকল্পনা আর সেই পরিকল্পনার বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে ক্রীড়া নৈপণ্যে সরব হয়ে উঠে খেলার মাঠগুলো।৩০ বছর পর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট দিয়েশুরু।নওগাঁ জেলায় ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবারের মত ৩টি ভেন্যুতে সবচেয়ে বড় আসর।তাই খেলোয়াড় বাছাই, শক্তিশালী টিম গঠনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন ক্রীড়া সংগঠকরা।টান-টান উত্তেজনা তৈরী হয় খেলার মাঠে।দর্শকরাও মেতে উঠেন ম্যাচ উপভোগ করতে গিয়ে।এরপর একে-একে নারী হ্যান্ডবল, সাঁতার ওএ্যাথলেটিক্স প্রশিক্ষন, তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে ক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল ও ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের আয়োজন, জেলা পর্যায়ে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন ও সিক্সএ সাইড ক্রিকেট টুর্নামেন্টসহ জেলা ও উপজেলায় টুর্নামেন্টের আয়োজনগুলো খেলোয়াড়দের সার্থক করে তুলেছে।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও প্রতিযোগীতা ছড়িয়ে পরেছে।কিন্তু প্রশ্ন, দীর্ঘ বন্ধাত্ব ঘুচিয়ে মাঠের মশালে আলো দিলেন কে?জাতীয় ফুটবল দলেরসাবেক স্ট্রাইকার এনামুল হক বলেন, ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের পর নওগাঁর জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন ২৫ ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল। ক্রীড়াপ্রেমী এই কর্মকর্তা শুরুতেই জেলা ক্রীড়া সংস্থার অচলাবস্থার অবসান এনে দিয়েছেন। এরপর মাঠের উন্মাদনা। তাঁর সঠিক দিক নির্দেশনায় এখন নওগাঁ জেলার ক্রীড়াঙ্গন সরব। প্রতিযোগীতায় প্রথম সারিতে। ইতোমধ্যেই জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবলে দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলছে টিম নওগাঁ। জেলা প্রশাসক খেলোয়াড় বাছাই থেকে শুরু করে প্রতিটি আয়োজনের খুঁটিনাটি খোঁজ রেখেছেন। নওগাঁ
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল বলেন, একটা সমাজের প্রতিচ্ছবি হচ্ছে ক্রীড়াঙ্গন। নির্মল আনন্দের পাশাপাশি তরুন সমাজকে সুস্থ্য জীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানোর জন্যই আমার এত আগ্রহ ছিল ক্রীড়াঙ্গনে। এছাড়া নওগাঁর ক্রীড়ায় একটা অতীত ইতিহাস আছে যার ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। স্থানীয় খেলোয়াড়দেরকে দেশের মূল প্লাটফরমে নিয়ে আসার জন্য আমরা সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ। এজন্য এ জেলার ক্রীড়াসংস্থার সকল সদস্যবৃন্দ ও সোনালী অতীত ক্লাব দারুন ভূমিকা পালন করেছে। আশাকরি নওগাঁয় উদীয়মান খেলোয়াড়রা তাদের কৃতীত্বের স্বাক্ষর অব্যহত রাখবে।






















এই post বিষয়ে আলোচনা করুন